সবাই জয় চান, কেবল বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা ছাড়া। আরো একটা টুর্নামেন্ট আরো একটা ব্যর্থতার গল্প। ১৭ বছর পর সুপার এইটে উঠেও টুর্নামেন্ট টাইগাররা শেষ করলো কোনো ম্যাচ না জিতে। প্রতিবারই ব্যর্থ হয়ে দেশে ফেরার পর ব্যর্থতা ঢাকতে শুরু হয় নির্মুল অভিযান। এবার ব্যর্থতা ঢাকতে কে হচ্ছেন বলির পাঁঠা?
জিতে গেলেই বোধ হয় ঢেকে যেতো সব। সাকিব-লিটনের ব্যর্থতা! হাথুড়ুর ভুল প্ল্যানিং! পায়ের উপর পা তুলে বসে থাকতো ওরা! সেমিফাইনালে ওঠার দামামার শব্দে আড়াল হতো সব ব্যর্থতা। যেটা বাংলার ক্রিকেটের জন্য ভালো নয়! খারাপই বয়ে আনতো।
প্রবল ঝড়ে সব কিছু ওলট পালট, সাজানো সংসারে ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর পরই প্রকৃত হয় নীরব। একটু সময় নিয়ে নতুন সাজে সেজে ওঠে বসন্তে। বাংলার ক্রিকেটে এখন দরকার চেঞ্জ! সব কিছু শেষ হবার পরই তো হয় কারো না কারো শুরু!
বাংলাদেশের সমর্থকরা ১২ ওভারে সেমির স্বপ্ন শেষ হয়ে যাবার পর দু'ভাগে ভাগ হয়েছিল। একদল চেয়েছিল জিতুক। আরেক দল হারুক! খুব বাজে ফল না হলে যে হয় না রদবদল! কিন্তু বাংলাদেশ ক্রিকেটার প্রচ্ছন্ন ভাবে যেনো বুঝিয়ে দেন, হামারি মর্জি হাম নেহি খেলেঙ্গি সেমি! আওয়ার টরগেট ইস নেক্সট ওয়ার্ল্ড কাপ!
কি আর হবে ক্রিকেট কর্তারা ব্যর্থতা ঢাকতে কিছু প্লেয়ারকে বাদ দিবে। কেউ কেউ হবে বলির পাঁঠা! তারপর দলের দুঃসময়ে আবার ফেরানো হবে বাদ দেয়াদেরকে। তারপর আবারো নতুন কোনো দেশে পাঠানো হবে শিক্ষা সফরে! টাইগারদের এই জীবন চক্র চলবে এন্ডলেস গতিতে! বাংলার দরকার একজন রশিদ খান! যিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে দলকে জেতাবে! আর সেই চক্র না ভাঙ্গলে জীবনেও শেষ হবে ভক্তদের দীর্ঘস্বাস!
মেসির ‘হার্টব্রেকে’র রাতে আর্জেন্টিনার জয়