এনটিএমসির সাবেক মহাপরিচালক সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে ‘সংশোধনী’ দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
শুক্রবার সন্ধ্যায় সংবাদমাধ্যমে পাঠানো ডিএমপির এক বার্তায় বলা হয়েছে, জিয়াউল আহসান ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় সেনাবাহিনীর কাছে আশ্রয় নিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) দিবাগত রাতে সেনাবাহিনীর সদস্যরাই তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার দুপুরে ডিএমপি জানিয়েছিল, রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) দিবাগত রাতে জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় দোকান কর্মচারী শাহজাহান আলীকে হত্যার মামলায় তাকে আট দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরফাতুল রাকিবের আদালত আদালত।
শেখ হাসিনার সরকারের সময় নানাভাবে আলোচনায় এসেছিলেন জিয়াউল আহসান। সম্প্রতি কোটা সংস্কার নিয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলন ঠেকাতে ডিজিটাল ক্র্যাকডাউনে জিয়াউল আহসানই অন্যতম ভূমিকা পালন করেন বলেও বেরিয়ে এসেছে।
২০০৯ সালে মেজর থাকা কালে র্যাব-২ এর উপ অধিনায়ক হন জিয়াউল আহসান। ওই বছরই তিনি পদোন্নতি পেয়ে লেফটেন্যান্ট কর্নেল হন এবং র্যাব সদর দপ্তরে গোয়েন্দা শাখার পরিচালকের দায়িত্ব পান। সে সময় থেকেই তাকে নিয়ে নানা বিতর্ক তৈরি হয়।
পরে জিয়া আরও পদোন্নতি পান এবং ২০২২ সাল থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন পর্যন্ত এনটিএমসির মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি ওই সংস্থার পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন।
জিয়াউল আহসান ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। তিনি সেনাবাহিনীর একজন প্রশিক্ষিত কমান্ডো ও প্যারাট্রুপার।
আটদিনের রিমান্ডে জিয়াউল আহসান