সোমবার দুপুর থেকে আবারও টানা বৃষ্টিতে নোয়াখালীতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। পানি ধীর গতিতে নামলেও আগের তুলনায় কয়েক ইঞ্চি বেড়েছে।
মঙ্গলবারের সরকারি হিসেব মতে প্রায় দুই লাখ লোক আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন। ৯ উপজেলার মধ্যে আট উপজেলার ৮৭টি ইউনিয়ন এখন পানিতে ডুবে আছে।
বন্যায় প্রায় ২০ লাখ মানুষ পানিবন্দি অবন্থায় মানবেতর জীবন যাপন করছেন।
নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রায় চার লাখ গ্রাহক বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছেন।

সোমবার বন্যার পানিতে বিদ্যুতের লাইন সচল করতে গিয়ে পল্লী বিদ্যুতের দুই লাইনম্যান বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন।
এ অবস্থায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার তিন ইউনিয়নের মানুষ আতঙ্কে রয়েছেন। সোমবার কোম্পানিগঞ্জের মুছাপুর স্লুইস গেটের রেগুলেটর পানির স্রোতের তোড়ে ভেঙে ভেসে গেছে। এতে বন্যার পানি নামলেও জোয়ারের পানি প্রবেশ করে তিন ইউনিয়নে বাড়িঘর ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
উজানের পানিতে ভাঙলো মুছাপুর স্লুইস গেট, এলাকায় আতঙ্ক
কুমিল্লায় নতুন এলাকা প্লাবিত, বেড়েছে ডাকাতিয়া-গোমতীর পানি