পানিতে তলিয়ে গেছে মুগদা পাড়ার প্রায় সবগুলো সড়ক। মুগদা জেনারেল হাসপাতাল ও মাতৃ সদন আইডিয়াল স্কুলের মত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সামনের রাস্তাগুলো চলাচলের অযোগ্য। রাস্তা ব্যবহারকারী শিক্ষার্থী,চাকরিজীবী কিংবা রোগীদের ভোগান্তি এখানে প্রতিদিনের। এই দুর্ভোগ চলছে গত এক বছর ধরে। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেয়নি দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন।
অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি এটি কোনো ডোবা নয়। বরং দক্ষিণ সিটির আওতাধীন একটি সড়ক। সড়কটি মুগদা এলাকার। এই পথে যারা প্রতিদিন চলাফেরা করতে বাধ্য হন; তারা জানেন কতোটা ভোগান্তির পর পথটুকু পাড়ি দিতে হয়।

মুগদা হাসপাতালের সামনে চিত্রও একই। এই রাস্তা ব্যবহার করে রোজ হাসপাতালে আসেন অসংখ্য রোগী। আতঙ্ক নিয়ে রাস্তাটুকু পাড়ি দিতে হয় সঙ্কটে পড়া রোগীদের। জমে থাকা পানি আর পানির নিচে মরণ ফাদের মতো বড় বড় গর্ত ডেকে আনে নিত্য নতুন বিপদ।
মুগদাপাড়া হাসপাতালের পাশাপাশি প্রসুতি মায়েদের জন্য আছে মাতৃ সদন। এক সময় হাসপাতালটির বেশ সুনাম ছিলো। কিন্তু এখন সড়কের ভোগান্তিতে পড়তে হয় এখানে সেবা নিতে আসা রোগীদেরও।আছে বড় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। রোজই দুর্ভোগে পড়তে হয় শিক্ষার্থী ও কর্মজীবীদের।

দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা প্রধান নির্বাহী মিজানুর রহমান বলছেন, বর্ষা শেষে জলাজট নিরসন আর রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু করবে সিটি কর্পোরেশন।
খানাখন্দে ভরা এই সড়ক আর জলোজটের অভিশাপ থেকে মুক্তি চান মুগদার মানুষ।
গুলশান থানার সাবেক ওসি রফিকুল চার দিনের রিমান্ডে