আগামী জাতীয় নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় নিয়ে বিএনপির সুরেই কথা বলছে জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য দলগুলো। নির্বাচনের সময় নিয়ে দলগুলোর মধ্যে মতানৈক্য কমতে শুরু করেছে। জামায়াতে ইসলামীও ২০২৫ সালের মধ্যে নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছে। এই সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষ করার আহবান জানাচ্ছে দলগুলো। প্রয়োজনে উপদেষ্টা পরিষদের আকার বাড়ানোর পরামর্শও দিচ্ছেন কেউ কেউ।
দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন আলোচনার অন্যতম প্রসঙ্গ নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ। আগামী জাতীয় নির্বাচনে তারিখ নিয়ে বক্তব্যের ভিন্নতার কারণে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মিত্র জামায়াতে ইসলামির সাথে বিএনপির কিছুটা দূরত্ব তৈরি হয়েছেলো। তবে এবার নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় নিয়ে বিএনপির সুরেই কথা বলছে জামায়াত। তারাও বলছে ২০২৫ সালের মধ্যেই নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব।
শনিবার কুমিল্লায় এক সমাবেশে জামায়াতের সিনিয়র নায়েবে আমীর সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের ২০২৫ সালের মধ্যেই নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন। বলেছেন, এই সময়ের মধ্যেই প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্ভব। আশা করি প্রধান উপদেষ্টা সংস্কার শেষ করেই ২০২৫ সালের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন করবেন। এ দেশের জনগণ দ্রুত তাদের ভোটের অধিকার ফিরে পেতে চায়। মানুষ ভোট দিতে চায়।
নির্বাচন গ্রহণযোগ্য এ নিরপেক্ষ করতে প্রশাসনসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতে দ্রুত সংস্কারের কথা বলেন জামায়াতের প্রচার সম্পাদক মতিউর রহমান আকন্দ। তিনি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ হতে রাষ্ট্রের যে বিভাগগুলোর সংস্কার প্রয়োজন, সেগুলো সংস্কার করে নির্বাচন দিতে হবে। সেটা ২-৩ মাস আগে পরে হতে পারে। সেজন্য আমরা সংস্কার চাই, কিন্তু সব বিভাগের সংস্কার এই সরকারের পক্ষে সম্ভব নয়।
নির্বাচন ও সংস্কার দুটোই জরুরি বলে মনে করেন ইসলামী আন্দোলন। দলটির মহাসচিব মাওলানা ইউনুস আহমাদ ও গাজী আতাউর রহমান বলেন, ২০২৫ এর নির্বাচনে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনে উপদেষ্টা পরিষদের আকার বাড়ানো হোক। এই সময়সীমার মধ্যে নির্বাচন না হলে জনরোষ বাড়তে পারে বলে জানান তারা।
সময়মতো নির্বাচন আয়োজনে অন্তর্বর্তী সরকারকে সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত বলেও জানান এসব রাজনৈতিক দলের নেতারা।
দেশের মানচিত্রের ভেতরের সবাই বাংলাদেশি: ডা. জাহিদ
হাসিনা-জয় ও রেহানা-টিউলিপের লেনদেনের নথি তলব 