ঘন কুয়াশায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে প্রায় ১০ ঘণ্টা ও আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে ১১ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিসির ডিজিএম নাসির চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানান, শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে কুয়াশার প্রকোপ বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে রাত সাড়ে ১১টায় কুয়াশার তীব্রতা বেড়ে পুরো নৌপথ ঢেকে যায়। এতে চ্যানেলের বিকন বাতিসহ নৌ চ্যানেল অস্পষ্ট হয়ে পড়ে। তখন দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এসময় মাঝ নদীতে খান জাহান আলী নামের একটি রো রো ফেরি যাত্রী ও যানবাহন নিয়ে আটকে পড়ে। এছাড়া আরিচা ঘাটে চিত্রা, কৃষাণী ও শাহ আলী নামে তিনটি ফেরি ও কাজিরহাট ঘাটে ধানসিঁড়ি নামে অপর একটি ফেরিকে আটকে রাখা হয়।
অন্যদিকে রাত একটায় ঘন কুয়াশার তীব্রতায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুট বন্ধ করে দেয়া হয়। সে সময় মাঝ নদীতে আটকে পড়ে বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর ও বাইগার নামের দুই ফেরি। এছাড়া পাটুরিয়া ও দৌলতদিয়া ঘাটে আটটি ফেরি আটকে রাখা হয়।

ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উভয় পাড়ে প্রায় তিন শতাধিক যানবাহন আটকে পড়ে।
কুয়াশা কেটে গেলে রোববার (৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আরিচা-কাজিরহাট ও বেলা ১১টায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়।
চালুর পর চাপ সামলাতে বহরে অতিরিক্ত চারটি ফেরি যুক্ত করা হয়। এছাড়া অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যাত্রীবাহী বাস, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস পার করা হয়।
যমুনা রেল সেতুতে পরীক্ষামূলক ট্রেন চলবে