দেশ হাসিনামুক্ত হলেও গণতন্ত্র ফেরেনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার রাজধানীর উত্তরায় খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও উপহার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, জনগণের ক্ষোভে দেশ ছেড়েছেন হাসিনা, তবে পালিয়ে গেলেও দিল্লিতে বসে ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত করছে। নেতাকর্মীদের বার্তা দিচ্ছে টুপ করে ঢুকে পরবে; এতগুলো মানুষ মারার পরেও কোনো অনুশোচনা নাই।
তিনি আরও বলেন, দেশ হাসিনা মুক্ত হলেও যে লক্ষ্য, গণতান্ত্রিক অবস্থায় ফিরে যাওয়া সেটি হয়নি। সরকারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে ন্যূনতম সংস্কার করে নির্বাচন দিতে, যেখানে জনগণ যাকে চাইবে তাকে ক্ষমতায় বসাবে।
পদ্মা সেতু থেকে বেগম জিয়াকে টুপ করে ফেলে দিতে চেয়েছিলো উল্লেখ করে এ বিএনপি নেতা বলেন, ঠিক সেভাবে টুপ করে চলে আসতে চান শেখ হাসিনা। একটা কথা মনে রাখতে হবে তাকে। মানুষ ভুলবে না।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, কেমন মহিলা (হাসিনা), তার মধ্যে কোনো অনুশোচনা নেই, এতগুলো মানুষ হত্যা করল। কতটা ভয়াবহভাবে তিনি জাতির ওপর চেপে বসেছিলেন।
এসময় অন্তর্বর্তী সরকারকে নিরপেক্ষ থাকার অনুরোধ জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ড. ইউনূসের সরকারকে নির্বাচন দিতে হবে, যেন জনগণ তার অধিকার ফিরে পেতে পারে। নির্বাচন হতে হবে নিরপেক্ষ সরকারের অধীন। সরকার নিরপেক্ষ থাকবে বলেই প্রত্যাশা করি।
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারকে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে গেছে, বিদ্যুতের দাম বেড়েছে, এর জন্য শুধু ব্যবসায়ীরা দায়ী তা না, বিগত সরকারের দুর্নীতিও দায়ী।
বিএনপি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, গতকাল (শুক্রবার) যৌথ বাহিনীর হাতে নির্যাতনে যুবদল নেতার মৃত্যু হয়েছে। যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে, বিএনপি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড দেখতে চায় না। বিএনপি বাংলাদেশে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার দেখতে চায়, আর কোনো নির্যাতন দেখতে চায় না।
যৌথবাহিনীর হেফাজতে যুবদল নেতার মৃত্যু, ছাত্রদলের নিন্দা
কুমিল্লায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা নিহত