পাঁচ আগস্ট রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের গুলিতে নিহত শহীদ হাসান মিয়ার জানাজা ও কফিন মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। এরপর পরিবারের কাছে শহীদ হাসানের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
জানাযা শেষে রাজু ভাস্কর্যের সামনে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবিতে কফিন মিছিল শুরু করে। পরে মিছিলটি ভিসি চত্বর এসে শেষ হয়।
এসময় মিছিল থেকে জুলাই-আগস্টে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে অংসখ্য ছাত্র-জনতাকে হত্যার ঘটনায় গণহত্যার দায়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারকে নিষিদ্ধের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি প্রত্যেকটি হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেন তারা।
সাত মাস ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পড়ে থাকার পর ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে জুলাই বিপ্লবে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের গুলিতে নিহত যুবক হাসানের (২০) পরিচয় শনাক্ত হয়।
বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় হাসানের মরদেহের কাগজপত্র পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
হাসানের পরিবার জানায়, তাদের বাড়ি ভোলার সদর উপজেলার কাছিয়া সাহা মাদার গ্রামে। হাসান যাত্রাবাড়ী সুতিখালপাড় বালুর মাঠ এলাকায় থাকতেন কাজ করতেন গুলিস্তানের এরশাদ মার্কেটে একটি ইলেক্ট্রিক দোকানে। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে হাসান ছিল বড়।
তারা জানান, গত পাঁচ আগস্ট বিকেলে সুতিখালপাড়ের বাসা থেকে বের হন। এরপর আর ফেরেননি। এক যুবকের পায়ে তার প্যাঁচানো অবস্থায় যাত্রাবাড়ী রাস্তায় পড়ে থাকা একটি ছবি ভাইরাল হয়। সেই ছবিটাই হাসানের মরদেহ ছিল। কিন্তু কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলো না। পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে এসে শনাক্ত করা হয়।
১৩ জানুয়ারি যাত্রাবাড়ী থানার মাধ্যমে আদালতের নির্দেশে মালিবাগ সিআইডি অফিসে মা-বাবা ডিএনএ নমুনা দেন। ১২ ফেব্রুয়ারি ডিএনএর ফল মিলে গেছে বলে জানানো হয়।
দুই শিশুর মুখে বিষ ঢেলে বাবার আত্মহত্যা