২০১৯ সালে সারাদেশে ২১টি গণপিটুনির ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে পাঁচজন। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত বাড্ডায় ছেলে ধরা সন্দেহে গণপিটুনিতে রেনুর মৃত্যু। মেয়ে হত্যার বিচার না দেখেই পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন তার মা।
রেনুর সন্তান দুই নানীকে হারিয়ে আবারও হয়েছেন অভিভাবক হারা। খালা নাজমুন নাহারের কাছেই তুবা আর তাহসিন বড় হচ্ছে। মামলার রায় হলেও সমাধান হয়নি ক্ষতিপূরণের।
পদ্মা সেতু নির্মাণে লাগবে শিশুর মাথা। এমন গুজবে বাড্ডায় ২০১৯ সালের ২০ জুলাই, উত্তর-পূর্ব বাড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মেয়ের ভর্তির খোঁজ নিতে গিয়ে গণপিটুনিতে মারা যান তাসলিমা বেগম রেনু।
১০ বছরের তুবা আর ১৭ বছরের তাহসিন আজও এই ছবিতেই খুঁজে ফেরে মায়ের স্মৃতি। মাকে হারিয়ে নানি সফুরা বেগমই ছিলো ওদের অভিভাবক। সেই নানিও আও অন্যভুবনে মা রেনুর কাছে ।
পাঁচ বোন এক ভাইর মধ্যে রেনু ছিলো সবার ছোট। পিঠাপিঠি বড় হওয়া বোন নাজমুন নাহার নাজমার কাছেই তুবা আর তাহসিন বড় হচ্ছে। তাকেই মা বলে ডাকে।

পুরো পরিবারটি সেই ভয়াবহ ঘটনার আতঙ্ক থেকে বেরিয়ে আসেত পারেনি। তুবা পড়ছে শাহীন স্কুলে। মায়ের স্মৃতি তার কাছে ঝাপসা হয়ে উঠছে। ছবি আকে নিজের মতই থাকে।
আগামী বছরের এসসসি পরীক্ষার্থী তাহসিন আল মাহিদ ভুলতে পারেনি মা রেনুকে। মাঝে মাঝেই চলে যায় বাড্ডার সেই স্কুলে। মায়ের অমানবিক মৃত্যুর স্মৃতি সে ভোলেনি।
অজ্ঞাত ৫০০ জনের বিরুদ্ধে তখন হত্যা মামলা করেন রেনুর ভাগ্নে সৈয়দ নাসির উদ্দিন টিটু। ৫ বছর পর মামলা হলেও রায়ে সন্তুষ্ট নন পরিবার। একই সাথে রেনুর পরিবারকে সরকারিভাবে পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিটও হয়েছিলো।
ঝুলে আছে সেই বিচারও। একটি গুজব তাদের পৃথিবীকে শূন্য করে দিয়েছে। তুবা আর তাসনিমের তাই আবেদন মানুষ যেন গুজবে কান না দেয়।
ডাকসু নির্বাচনের তফসিল ২৯ জুলাই, ভোট সেপ্টেম্বরে
ওবায়দুল কাদেরসহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ১৫ অক্টোবর