নির্বাচন ঘিরে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ষাট হাজার সেনাসদস্যকে মাঠে থেকে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখার তাগিদও দেয়া হয়েছে। এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো চিহ্নিত করে এখন থেকে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নীতিনির্ধারকদের সাথে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠকের পর সোমবার (২৮ জুলাই) এসব তথ্য জানায় প্রেস উইং।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবস্থা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহাম্মদ ইউনুস বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নীতি-নির্ধারকদের সাথে।
বৈঠকে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনকে এখন থেকেই সমন্বয় করার নির্দেশ দেন প্রধান উপদেষ্টা।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, নির্বাচনের সেপ্টেম্বর থেকে তিনমাস ব্যাপী দেড়লাখ পুলিশকে দেয়া হবে প্রশিক্ষণ। আর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে ৬০ হাজার সেনা সদস্য কঠোর ভূমিকা রাখবে।
ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোকে চিহ্নিত করে এখনই প্রধান উপদেষ্টা ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দিয়েছে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টার উপ প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার জানান, নির্বাচনের আগে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশাসনে রদবদল হবে।
এসময় প্রেস সচিব শফিকুল আলম আরো জানান, প্রধান উপদেষ্টার সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে জঙ্গিবাদের বিষয়ে বাংলাদেশ জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
ট্যারিফ ইস্যু নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আবারো বৈঠক শুরু হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
২-৩ দিনের মধ্যে ‘ঐতিহাসিক সনদ’ চূড়ান্ত প্রক্রিয়ায় পৌঁছাবে: আলী রীয়াজ