বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে দ্বিতীয় অবস্থানে বাংলাদেশ। তবে, রাজধানী ঢাকাকে ‘হিট আইল্যান্ড’ হিসেবে উল্লেখ করেছে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক। তারা বলছে, তীব্র তাপমাত্রার কারণে, উৎপাদন সক্ষমতা কমার ফলে, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে প্রায় ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ।
এ বিষয়ে বন ও পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, মন্ত্রী-এমপিদের প্লট দিতে গিয়ে বনায়ন ধ্বংস করে পরিবেশের যা ক্ষতি করার তা রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) মতো প্রতিষ্ঠানই করেছে।
গত বছর এপ্রিলের ৩০ তারিখে, গেলো ৫০ বছরে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয় যশোরে। ওয়ার্ল্ড ব্যাংক বলছে, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান এখন দ্বিতীয়। ঢাকাকে বিশ্বের ‘হটস্পট’ বা ‘হট আইল্যান্ড’ হিসেবে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।

রাজধানীর এক হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ওয়ার্ল্ড ব্যাংক বলছে, ১৯৮০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে। এই সময়ে অনুভূত তাপমাত্রা আরো আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে ৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
সংস্থাটি বলছে, তীব্র তাপমাত্রার কারণে, উৎপাদন সক্ষমতা কমার ফলে ২০২৪ সালে বাংলাদেশে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে প্রায় ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশের ক্ষতির জন্য ক্লাইমেট চেঞ্জ দায়ী, সুতরাং যে সব দেশ বেশি কার্বন নিঃসরণ করছে তাদেরকে সরাসরি জরিমানার আওতায় এনে সেটি ক্ষতিগ্রস্ত দেশকে দেয়া যায় কি না তা নিয়ে ভাবতে বললেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী সায়েদুর রহমান।
২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ জিডিপির প্রায় ৪.৯ শতাংশ হারাতে পারে অতিরিক্ত তাপের নেতিবাচক প্রভাবের কারণে। এমনটাও পূর্বাভাস দিয়েছে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক।
কার্নিশে ঝুলে থাকা ব্যক্তিকে গুলি: অভিযোগ গঠনের আদেশ বৃহস্পতিবার