চলতি বছরের অক্টোবর-নভেম্বরের মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে প্লট জালিয়াতির ছয় মামলার রায় হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান আব্দুল মোমেন। একই সঙ্গে হাইকোর্টের আদেশে আটকে যাওয়া টিউলিপ সিদ্দিকের মামলা সচলের উদ্যোগের কথাও জানান।
বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এক সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
এদিন দুর্নীতি প্রতিরোধ সংক্রান্ত কার্যক্রমকে অধিকতর বেগবান ও গতিশীল করতে পাঁচ বছর মেয়াদি সমঝোতা স্মারক সই করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। পঞ্চমবারের মতো এ সমঝোতা স্মারকে সই করলো প্রতিষ্ঠান দুটি। পরে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন দুই সংস্থার প্রধান।
এসময় টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, রাজনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক সদিচ্ছা থাকলে দুদক সংস্কার প্রস্তাবনা বাস্তবায়ন সম্ভব।
এ অনুষ্ঠানে দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমে যৌথভাবে কাজ করা হবে এ কথা জানিয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘দুদক সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে রাজনৈতিক দলগুলো আলোচনায় প্রায় একমত হলেও বাস্তবায়ন নির্ভর করছে রাজনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক সদিচ্ছার ওপর।’
সংস্কার প্রস্তাবের বিষয়ে একমত হয়ে দুদক চেয়ারম্যান আব্দুল মোমেন বলেন, অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি নির্মূল ও মামলার দীর্ঘসূত্রতা বন্ধে কাজ করছে সংস্থাটি।
এসময় তিনি আশা প্রকাশ করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তার পরিবারের বিরুদ্ধে ছয় মামলার রায় দ্রুত হবে।
হাইকোর্টের আদেশের আটকে যাওয়া গুলশানে টিউলিপ সিদ্দিকের ফ্ল্যাট জালিয়াতির মামলা সচল করতে উদ্যোগের কথাও জানান সংস্থাটির চেয়ারম্যান।
নির্বিঘ্নে এলডিসি উত্তরণে ডব্লিউটিও’র পূর্ণ সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
বিএনপিকে ৪১ আর জামায়াতকে ভোট দিতে চায় ৩০ ভাগ মানুষ