সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে রাজধানী অভিমুখে সাধারণ মানুষ ও নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে। যানজট, ভিআইপি মুভমেন্ট এবং সড়কের বিভিন্ন স্থানে প্রতিবন্ধকতা এড়াতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা লোকজন দ্রুত জানাজাস্থলে পৌঁছাতে যাতায়াতের মাধ্যম হিসেবে 'মেট্রোরেল'কে বেছে নিচ্ছেন। কর্তৃপক্ষও আড়তি ট্রিপের ব্যবস্থা করেছে।
বুধবার সকাল থেকেই মতিঝিল ও কমলাপুর সংলগ্ন এলাকাগুলোতে দেখা গেছে জানাজাগামী মানুষের উপচে পড়া ভিড়। অন্যদিকে উত্তরা থেকে আগারগাাঁও পর্যন্ত প্রতিটি স্টেশনেও একই চিত্র।
চট্টগ্রাম মহানগরীর ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও বন্দর থানা বিএনপির সভাপতি হাসান মুরাদের নেতৃত্বে একটি বড় দল ট্রেনযোগে কমলাপুর পৌঁছান। দ্রুত জানাজাস্থলে পৌঁছাতে তারা সেখান থেকে মতিঝিল মেট্রো স্টেশনে এসে খামারবাড়ির ট্রেনের টিকিট সংগ্রহ করেন।
সিরাজগঞ্জ থেকে আসা কর্মী এনায়েতুর রহমান বলেন, বাসে এলে সময়মতো পৌঁছাতে পারব কি না তা নিয়ে সংশয় ছিল। তাই রংপুর এক্সপ্রেসে করে কমলাপুরে নেমেছি। দ্রুত পৌঁছানোর জন্য মেট্রোরেলই এখন সেরা সমাধান।
মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ অভিমুখে শুধু মেট্রোরেল নয়, লোকাল বাস, মোটরসাইকেল এবং ব্যাটারিচালিত রিকশাতেও হাজারো মানুষকে ছুটতে দেখা গেছে। সবারই লক্ষ্য দুপুর ২টার নির্ধারিত সময়ের আগেই জানাজাস্থলে উপস্থিত হওয়া।
উল্লেখ্য, ৮০ বছর বয়সী তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, লিভার সিরোসিস, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতাসহ বিভিন্ন বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন।
গত ২৩ নভেম্বর অসুস্থতা বাড়লে তাঁকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহ যমে-মানুষে লড়াইয়ের পর গতকাল তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
বিকেলে চন্দ্রিমা উদ্যানে স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশেই তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে।
অন্তিম যাত্রায় খালেদা জিয়া, মানিক মিয়ার পথে মরদেহ
কফিনের পাশে বসে তারেক রহমানের কোরআন তিলাওয়াত