বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জামিনের আবেদনটি চূড়ান্ত মতামতের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর আগে, আইনমন্ত্রী সেই আবেদনে মতামত দিয়ে মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) স্বারাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেন।
বিএনপি আশা করছে, শারীরিক অসুস্থতা বিবেচনা করে এবার বিএনপি চেয়ারপার্সনকে মুক্তি দেবে সরকার।
প্রায় দেড় বছর আগে সরকারের নির্বাহী আদেশে কারামুক্ত হয়ে গুলশানের ভাড়া বাসা ফিরোজায় আসেন বিএনপি চেয়ারাপার্সন বেগম খালেদা জিয়া।
তিনি বাসায় থেকে চিকিৎসা নেবেন এবং দেশে বাইরে যেতে পারবেন না, এই দুই শর্তে পরে আরো তিন দফায় ছয় মাস করে মুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি করে সরকার।
এই সময়ে খালেদা জিয়া করোনায় আক্রান্ত হলে সরকারের মৌখিক অনুমতি নিয়ে ৫৩ দিন একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
আরও পড়ুন: আজও করোনায় মৃত্যু ও শনাক্তের সংখ্যা নিম্নমুখী
তখনই জানা যায় তার লিভার, ফুসফুস, কিডনিতে বাসা বেঁধেছে জটিল রোগ। তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা জানান, দেশে চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করা সম্ভব নয় ৭৭ বছর বয়সী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে।
তিন মাস আগে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নিতে পরিবারের পক্ষ থেকে করা আবেদন নাকচ করে দেয় সরকার। গেল সপ্তাহে আবারো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়।
মঙ্গলবার সেই আবেদনে আইন মন্ত্রণালয় মতামত দেবার পর, বুধবার চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
খালেদা জিয়ার পরিবার ও আইনজীবীরা আশা করছেন, এবার সরকার মানবিক হবেন। মুক্তি পাবেন বিএনপি নেত্রী।
খালেদা জিয়ার বিদেশে যাওয়ার আবেদনে প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দিলে তাকে যুক্তরাজ্যে নেয়া হতে পারে।
একাত্তর/আরএইচ
