ইরানে চলমান মার্কিন–ইসরাইলি আগ্রাসনের মধ্যেই পশ্চিম ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক রিফুয়েলিং ট্যাঙ্কার বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, ঘটনাস্থলে ইতিমধ্যে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। তবে বিমানের আরোহীদের মধ্যে কেউ বেঁচে আছেন কি না বা হতাহতের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র একটি কেসি–১৩৫ রিফুয়েলিং বিমান হারানোর বিষয়ে অবগত রয়েছে। ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ চলাকালে একটি বন্ধুপ্রতিম দেশের আকাশসীমায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
সেন্টকমের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনায় দুটি বিমান জড়িত থাকতে পারে, যার মধ্যে দ্বিতীয়টি নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়েছে। তবে দুর্ঘটনাটি শত্রুপক্ষের হামলা বা নিজেদের গোলাবর্ষণের কারণে ঘটেনি বলে জানানো হয়েছে।
সাধারণত কেসি–১৩৫ ধরনের বিমানে একজন পাইলট, একজন সহ–পাইলট ও একজন বুম অপারেটরসহ মোট তিন থেকে পাঁচজন ক্রু সদস্য থাকেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, তাদের অবস্থা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত সাতজন মার্কিন সেনাসদস্যসহ প্রায় ১,৩৪৮ জন ইরানি এবং ১৫ জন ইসরাইলি নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে।
সংঘাতের প্রভাব ছড়িয়ে পড়ায় উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোতেও আরও অন্তত ১৭ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।
চলমান এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ইরান সংকটের সম্ভাব্য তিন পরিণতি: সিএনএনের বিশ্লেষণ
হামলা-পাল্টা হামলায় অচলাবস্থা, কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ দুই পক্ষ