আত্মীয়র বাড়ি দাওয়াতে অংশ নিতে ভ্যানে চড়ে রওনা হয়েছিলেন তাসলিমা, তবে নির্ধারিত গন্তব্য পর্যন্ত আর পৌঁছাতে পারেননি। ঘাতক বাসের ধাক্কা তাকে পৌঁছে দিয়েছে জীবনের শেষ গন্তব্যে। শরতের সতেজ হাওয়ায় যে ভ্যানে চেপে খুশিমনে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা করেছিলেন তাসলিমা, বেঁচে সেই ভ্যানচালক মহিদুল'ও। বেপরোয়া বাসের ধাক্কায় মুহূর্তেই ঝরে গেছে দুইটি প্রাণ।
এ ঘটনা আজকের, বৃহস্পতিবার কিংবা ৯ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৯ টার। আর দুর্ঘটনাস্থল ঝিনাইদহ যশোর সড়েকর পিরোজপুর তিন বটতলা নামকস্থানে। নিহত মহিদুল ইসলাম (৫০) কালিগঞ্জ উপজেলার বাদেডিহি গ্রামের জাহাবক্সের ছেলে ও যাত্রী তাসলিমা খাতুন (৪০) পিরোজপুর গ্রামের মোশাররফ হোসেনের স্ত্রী।
বারোবাজার হাইওয়ে থানা পুলিশ এ ঘটনায় ঘাতক বাসটিকে আটক করলেও এ সময় চালক পালিয়ে যায়।
আরও পড়ুন: খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু
ঝিনাইদহের বারোবাজার হাইওয়ে থানা পুলিশের ওসি মেজবাহউদ্দিনের জবানে জানা যায় , বৃহস্পতিবার সকালে চুয়াডাঙ্গা থেকে ছেড়ে আসা একটি যাত্রীবাহি বাস যশোরে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে ঝিনাইদহ-যশোর সড়কের পিরোজপুর তিন বটতলা নামকস্থানে পৌছালে বিপরীত দিকে থেকে আসা একজন যাত্রীবাহি ভ্যানে ধাক্কা দিলে ভ্যানটি উল্টে পড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলেই ভ্যান চালক মহিদুল ও যাত্রী তাসলিমা খাতুন নিহত হন।
এ সময় স্থানীয় লোকজন বাসটিকে আটক করে পুলিশের কাছে সোর্পদ করে। পুলিশ খবর পেয়ে নিহতদের উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। দুর্ঘটনার পরই বাসটির চালক পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি আরও জানান।
একাত্তর/এসএ
