আসছে ফুটবল বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে রোববার নবাগত জর্ডানের বিরুদ্ধে ৪-১ গোলের দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে সুইজারল্যান্ড। প্রথমার্ধেই তিন গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের পকেটে পুরে নেয় সুইসরা। দুই দলই আসন্ন বিশ্বকাপের টিকিট কাটলেও, মাঠের লড়াইয়ে জর্ডান ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যকার ক্লাসের পার্থক্যটা ছিল চোখে পড়ার মতো।
ম্যাচের ২৮ মিনিটে রেমো ফ্রুউলার বক্সের ভেতর ফাউলের শিকার হলে ভিএআর রিভিউয়ের সহায়তায় প্রথম পেনাল্টি পায় সুইজারল্যান্ড। ঠাণ্ডা মাথায় স্পট কিক থেকে দলকে এগিয়ে নেন ব্রিল এম্বোলো। এর ঠিক পাঁচ মিনিট পর এম্বোলোর একটি রক্ষণ-চেড়া পাস থেকে স্কোরলাইন ২-০ করেন ড্যান এনদয়ে। প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে আবারও লাইমলাইটে এম্বোলো; এবার তিনি নিজেই বক্সের ভেতর ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি থেকে জর্ডানের জালে শেষ পেরেকটি ঠোকেন অধিনায়ক গ্রানিত জাকা।
যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপে এবারই প্রথম খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে জর্ডান। প্রথমার্ধে ৩-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে অবশ্য একটু লড়াইয়ের আভাস দেয় তারা। ২০ বছর বয়সী তরুণ ওদেহ ফাখৌরি বক্সের প্রান্ত থেকে দারুণ এক শটে সুইস গোলরক্ষককে পরাস্ত করে ব্যবধান ৪-১ করেন। তবে ম্যাচের বয়স যখন ৭৯ মিনিট, তখন ক্রিশ্চিয়ান ফাসনাখট জাতীয় দলের জার্সিতে দীর্ঘ পাঁচ বছর পর নিজের প্রথম গোলটি করে সুইজারল্যান্ডের তিন গোলের লিড পুনরুদ্ধার করেন।
ম্যাচের শেষ মুহূর্তে হঠাৎ শুরু হওয়া প্রবল মুষলধারে বৃষ্টির কারণে নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষ হওয়ার দুই মিনিট আগেই রেফারি শেষ বাঁশি বাজাতে বাধ্য হন। ফলে মঙ্গলবার আমেরিকার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার আগে ঘরের মাঠের দর্শকদের সামনে সুইস ফুটবলারদের যে রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনার পরিকল্পনা ছিল, তা বৃষ্টির তোড়ে পণ্ড হয়ে যায়। তবে মাঠের এই বিশাল জয় নিশ্চিতভাবেই সুইসদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেবে।
লুইস এনরিকের দলগত মন্ত্রেই পিএসজির টানা বাজিমাত!