ইরানকে ধ্বংস করার হুমকি কতবার দিলেন ট্রাম্প?

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২৬, ১০:০০ এএম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার দাবি করেছেন, ইরান চুক্তির জন্য ‘মরিয়া’ হয়ে উঠেছে, কিংবা তেহরানকে চুক্তি করার জন্য ‘সবশেষ সুযোগ’ দেওয়া হয়েছে। ইরান যুদ্ধ শুরুর এক মাসের কিছু বেশি সময় পর, ওয়াশিংটন এবং মধ্যপ্রাচ্যের রাজধানীগুলোতে চরম উদ্বেগ ছড়িয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এক প্রলয়ংকরী হুমকি দেন এবং তার জন্য একটি বেঁধে দেওয়া সময়সীমাও ঠিক করে দেন।

ট্রাম্প ৭ এপ্রিল সতর্ক করে বলেন, ইরান যদি অবিলম্বে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে না দেয়, তবে ‘আজ রাতেই একটি আস্ত সভ্যতা ধসে পড়বে, যা আর কোনোদিন ফিরে আসবে না’। কিন্তু, তেহরান তাতে কান দেয়নি। সময়সীমার ঠিক দুই ঘণ্টা আগে ট্রাম্প তাঁর হুমকি থেকে সরে আসেন এবং ইসলামাবাদের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন।


এর পর থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বহুবার এই একই নাটকের পুনরাবৃত্তি করে গেছেন। চিত্রনাট্যটি মূলত এই রকম: ট্রাম্প প্রথমে হুমকি বাড়িয়ে বাজার অস্থিতিশীল করে তোলেন, আর ঠিক শেষ মুহূর্তে নিজের অবস্থান থেকে পিছু হটেন, সম্ভবত এই আশায় যে কৌশলটি আলোচনার ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে।

গত সোমবার ট্রাম্প আবারও জোর দিয়ে দাবি করেন, আলোচনা প্রায় শেষ পর্যায়ে এবং যুদ্ধ থামতে চলেছে। পাশাপাশি, ‘প্রতারক’ ইরানকে চুক্তিতে পৌঁছানোর অথবা মারাত্মক হামলার মুখোমুখি হওয়ার জন্য আবারও ‘সবশেষ সুযোগ’ দেন তিনি।

অন্যদিকে, তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার কথা অস্বীকার করেছে। তারা জানিয়েছে, শুধু ওমানের সঙ্গেই তাদের কথা হচ্ছে, তাও হরমুজ প্রণালী ব্যবস্থাপনা নিয়ে, যা অবরুদ্ধ থাকার কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে এবং তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে।

যুদ্ধটি এখন ২৩তম সপ্তাহে গড়িয়েছে এবং সহিংসতা কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। উপরন্তু ওয়াশিংটন ও তেহরান উভয় পক্ষই জটিল সমীকরণে জড়িয়ে পড়েছে, যা এই সংঘাতের গতিপথ নির্ধারণ করতে পারে।

তাহলে, ট্রাম্প হুমকি প্রত্যাহার করার আগে ইরানকে চুক্তিতে পৌঁছানোর বা পরিণতির মুখোমুখি হওয়ার কতবার ‘সবশেষ সুযোগ’ দিয়েছেন? আর মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে কতবার আমরা শুনেছি, চুক্তি একেবারেই হাতের নাগালে?


ট্রাম্পের বড় ধরনের হামলার হুমকি এবং পিছু হটার ঘটনাগুলো

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে প্রথম যৌথ হামলা চালানোর পর থেকে এমন বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে যেখানে ট্রাম্প হামলার হুমকি দিলেও তা বাস্তবায়ন করেননি।

মার্চ: যুদ্ধ শুরু হওয়ার এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে, ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী বন্ধ করা নিয়ে তেহরানকে হুমকি দিয়ে বলেন, গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ খুলে না দিলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে হামলা চালাবে। দু’দিন পর তিনি আলোচনায় ‘অগ্রগতির’ কথা উল্লেখ করে হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত করেন। ২৬ মার্চ বর্ধিত সময়সীমা ঘনিয়ে এলে ট্রাম্প হামলা আবার পিছিয়ে দেন, এবার ১০ দিনের জন্য। তাঁর দাবি ছিল, তেহরান নাকি নিজেই সময় বাড়ানোর অনুরোধ করেছিল।

এপ্রিল: এরপর আসল ৭ এপ্রিলে ‘আস্ত সভ্যতা ধসে পড়ার’ সেই হুমকি। কিন্তু হামলা চালানোর আগেই তা বাতিল করে ট্রাম্প দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন, যাতে ইরান শান্তির চুক্তিতে আসার একটি সুযোগ পায়। কিন্তু কোনো চুক্তি হয়নি। যুদ্ধবিরতির শেষ মুহূর্তে, ২১ এপ্রিল ইরানকে আরও ‘কঠোর’ আঘাত হানার হুমকি দেয়ার পর, ট্রাম্প আকস্মিকভাবে অনির্দিষ্টকালের জন্য যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন। তিনি জানান, পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীরা তাঁকে এমনটি করার অনুরোধ করেছিলেন।


মে:
সেই আলোচনায় কোনো অগ্রগতি না হওয়ায়, ১৭ মে ট্রাম্প আবারও ইরানে হামলা চালানোর হুমকিতে ফিরে যান। তিনি বলেন, তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি না করলে ইরানের ‘কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না’। কিন্তু ঠিক তার পরদিনই ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, তিনি আপাতত হামলা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, হয়তো সাময়িকভাবে, আবার হয়তো চিরতরে।

কারণ হিসেবে তিনি জানান, ইরানের সঙ্গে তাঁদের ‘খুব বড় ধরনের আলোচনা’ হয়েছে। আলোচনা পুনরায় ব্যর্থ হলে, ২৭ মে আবার মার্কিন হামলা শুরু হয়।

জুন: ১১ জুন দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলার পর, ট্রাম্প হুমকি দেন যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল ও গ্যাস শিল্পের ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ নেবে। তবে এর কয়েক ঘণ্টা পরই তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দাবি করেন যে, আলোচনায় বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে এবং হামলা স্থগিত করেন।

১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে, যেখানে যুদ্ধবিরতি এবং দীর্ঘস্থায়ী শান্তির জন্য চুক্তি চূড়ান্ত করতে ৬০ দিনের সময়সীমা ঘোষণা করা হয়। তবে সমঝোতা স্মারকের নানা বিষয়, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীর ওপর কার নিয়ন্ত্রণ থাকবে, তা নিয়ে দুই পক্ষের মতপার্থক্যের কারণে কয়েক দিনের মধ্যেই তা ভেস্তে যায়। দুই পক্ষই আবার পাল্টাপাল্টি হামলায় লিপ্ত হয়।

জুলাই-আগস্ট: ২৭ জুলাই ট্রাম্প আবার হামলা বন্ধ করে দাবি করেন, চুক্তির প্রাথমিক রূপরেখা’ তৈরি হয়ে গেছে। তবে একই সাথে সতর্ক করে বলেন, ওয়াশিংটন ইরানের বিরুদ্ধে এমন এক স্তরের সামরিক শক্তি ও ক্ষমতা প্রয়োগের জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আর দেখা যায়নি।

চলতি সপ্তাহে সোমবারেও ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন যে আলোচনা যুদ্ধের অবসানের কাছাকাছি পৌঁছেছে এবং ‘শিরশ্ছেদের’ আগে এটিই ইরানের ‘শেষ সুযোগ’। তবে এই সাম্প্রতিক হুমকির পর যুক্তরাষ্ট্র এখনো কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার বিষয়টি অস্বীকার করলেও মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে অপ্রত্যক্ষ আলোচনা চালিয়ে যেতে পারে।


ট্রাম্প যখন বলেছিলেন ইরান শান্তি চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত

যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বহুবার ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান একটি চুক্তি করার জন্য ‘মরিয়া’ হয়ে উঠেছে বা চুক্তি যেকোনো মুহূর্তে হয়ে যাবে।

মার্চ: ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানের ওপর প্রথম আক্রমণ শুরু করার দুই দিন পর, ওয়াশিংটন শুরুতে একে দ্রুত শেষ হওয়ার মতো অভিযান মনে করলেও পরে ট্রাম্প তাঁর অবস্থান বদলান। হোয়াইট হাউসে দাঁড়িয়ে তিনি স্বীকার করেন, আমরা চার থেকে পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে (ইরান যুদ্ধ শেষ করার) পরিকল্পনা করেছিলাম, তবে এটি তার চেয়ে অনেক বেশি সময় ধরে চলতে পারে।

৯ মার্চ সিবিএসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আবারও কৌশল পরিবর্তন করেন। তিনি বলেন, ‘যুদ্ধ প্রায় শেষের দিকে’ এবং মার্কিন সামরিক অভিযান ‘নির্ধারিত সময়ের চেয়ে অনেক এগিয়ে রয়েছে’। একই দিন বিকেলে তিনি আবারও অবস্থান বদলে বলেন, যুদ্ধটি ‘একই সাথে শেষ হয়ে গেছে এবং কেবল শুরু হচ্ছে’। এর কিছুক্ষণ পর তিনি আবার যোগ করেন, আমরা অনেক দিক থেকেই জিতে গেছি, তবে পুরোপুরি জিততে পারিনি।


২৩ মার্চ এয়ার ফোর্স ওয়ানের বাইরে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে ‘ঐকমত্যের বড় বড় পয়েন্টগুলোতে, বলতে গেলে প্রায় সব পয়েন্টেই’ একটি বোঝাপড়া হয়ে গেছে। তবে তেহরান এই সময়েও কোনো ধরনের আলোচনায় যুক্ত থাকার কথা অস্বীকার করছিল।

এর দুই দিন পর ট্রাম্প আবারও দাবি করেন, ইরান নাকি ‘চুক্তি করার জন্য ব্যাকুল হয়ে পড়েছে’। পরদিন একটি ক্যাবিনেট মিটিংয়ে তিনি বলেন, ইরান ‘চুক্তির জন্য কাকুতি-মিনতি করছে’।

এপ্রিল: ৭ এপ্রিলে একটি ‘আস্ত সভ্যতা উড়িয়ে দেওয়ার’ হুমকি দেয়ার আগে ট্রাম্প আবারও দাবি করেন যে, ওয়াশিংটন ইরানের সঙ্গে ‘চুক্তির খুব কাছাকাছি’ চলে এসেছে। তবে পরের দিনই তিনি তাঁর অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন। এপ্রিল মাসজুড়ে পরবর্তী দিনগুলোতে ট্রাম্প বারবার বলতে থাকেন যে, যুদ্ধ মূলত শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু যুদ্ধ চলতেই থাকে।

ট্রাম্প বিভিন্ন সময়ে আলাদাভাবে দাবি করেন যে ইরান ‘সবকিছুতেই সম্মত হয়েছে’, ‘আমার মনে হয় আমরা আগামী এক বা দুই দিনের মধ্যে একটি চুক্তি পেয়ে যাব’ এবং মার্কিন ও ইরানি অবস্থানের মধ্যে ‘খুব বেশি বড় ধরনের মতপার্থক্য নেই’।

মে: ২৩ মে ট্রাম্প বলেন, প্রশাসন একটি চুক্তির ‘অনেক কাছাকাছি পৌঁছে যাচ্ছে’, যা মূলত ‘আলোচনার মাধ্যমে অনেকটাই চূড়ান্ত, এখন শুধু শেষ স্পর্শ দেওয়া বাকি’।

জুন: ৮ জুন ট্রাম্প আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে ‘চূড়ান্ত বিজয়ের’ আহ্বান জানান এবং দাবি করেন যে ইরান ‘আমাদের সব কিছু দিয়ে দিতে প্রস্তুত’। তবুও কোনো শান্তি চুক্তি বাস্তবায়িত হয়নি এবং জুলাই মাসে সংঘাত পুনরায় শুরু হয়।

আগস্ট: চলতি সপ্তাহের সোমবার ট্রাম্প আবারও সাংবাদিকদের বলেন যে ইরান চুক্তির জন্য “মরিয়া” হয়ে উঠেছে এবং চুক্তি না করলে ‘শিরশ্ছেদের’ মুখে পড়তে হবে বলে তেহরানকে ‘সবশেষ সুযোগ’ দেন। বরাবরের মতোই ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কোনো ধরনের আলোচনার কথা অস্বীকার করে জানিয়েছে, তারা শুধু হরমুজ প্রণালী ব্যবস্থাপনা নিয়ে ওমানের সাথে কথা বলছে।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স

একাত্তর/এআরএস
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন-ইসরাইলি যুদ্ধের অন্যতম প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠা কৌশলগত হরমুজ প্রণালী পুনর্গঠন ও চালু করার বিষয়ে নতুন শর্ত প্রকাশ করেছে তেহরান। মঙ্গলবার রয়টার্সকে দেয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে...
ইরানের সাথে গত পাঁচ মাস ধরে চলা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে মার্কিন সেনাবাহিনী তাদের অস্ত্রাগারে থাকা অতি নিখুঁত ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের বড় একটি অংশ শেষ করে ফেলেছে। অভ্যন্তরীণ তথ্যের সাথে পরিচিত তিনটি...
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে টানা পাঁচ মাস ধরে চলা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বন্ধের প্রচেষ্টায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কথা জানিয়েছে মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার। তবে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের...
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খোলার বিষযসহ একটি শান্তি চুক্তি হওয়ার দাবি করলেও তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা...
গ্রীষ্মকালীন ট্রান্সফার উইন্ডোতে বড় ধরণের চমক দিতে যাচ্ছে এমিরেটস শিবির! নিউক্যাসল ইউনাইটেড থেকে ব্রাজিলিয়ান তারকা মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারেসকে ছিনিয়ে নেওয়ার একবারে চূড়ান্ত ধাপে পৌঁছে গেছে আর্সেনাল।...
ব্রাজিলিয়ান কাপের ম্যাচে জয় পেয়ে মাঠ ছাড়লেও মাঠের বাইরের কান্ডে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন সান্তোস তারকা নেইমার। মঙ্গলবার রাতে বেলেন শহরের মাঠে রেমোর বিপক্ষে সান্তোসের ১-০ গোলের জয়ের পর...
বিশ্বকাপের ধকল সামলে ছুটির আমেজে ভাসছেন ফুটবলের ১৯ বছরের ওয়ান্ডারকিড লামিন ইয়ামাল। আর এই ছুটিকে স্মরণীয় করে রাখতে জনপ্রিয় ও অভিজাত অবকাশকেন্দ্রে প্রেমিকাকে নিয়ে রাজকীয় ডেটিংয়ে মেতেছেন বার্সেলোনা...
প্রায় এক দশক ধরে একসাথে সংসার, পাঁচ পাঁচটি সন্তান আর ফুটবল বিশ্বে সবচেয়ে গ্ল্যামারাস ও প্রভাবশালী জুটি হিসেবে রাজত্ব করার পর, অবশেষে কি শুভ পরিণয় ঘটতে চলেছে? ভক্তদের বহুদিনের কাঙ্ক্ষিত প্রশ্নের...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর