র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে পুলিশের আওতাধীন নতুন বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’ চালু করা হয়েছে।
এ সংক্রান্ত ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-২০২৬’ আইনের গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে র্যাব বিলুপ্তির বিষয়টি কার্যকর করা হয়েছে। মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
গেজেটে বলা হয়েছে, ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-২০২৬’ আইন কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন গঠন-সংক্রান্ত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৯-এর যেসব বিধান র্যাব গঠনের জন্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, কেবল সেসব বিধান রহিত হবে।
তবে ওই অর্ডিন্যান্সের ১৪ নম্বর ধারায় দেওয়া ক্ষমতাবলে জারি করা ‘র্যাব (কোর্ট পদ্ধতি ও বিভাগীয় কার্যধারা) বিধিমালা-২০০৫’ বহাল থাকবে বলে গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ওই বিধিমালা কিংবা অন্য কোনো আইন বা বিধির অধীন র্যাবের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে নেওয়া বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা এবং আদালতের কার্যধারাও বহাল ও কার্যকর থাকবে।
অর্থাৎ র্যাব বিলুপ্ত হলেও পূর্বে নেওয়া বিভাগীয় ব্যবস্থা বা চলমান আদালতের কার্যক্রম নতুন আইনের কারণে বাতিল হবে না।
নতুন আইনে র্যাবের জনবল ও সম্পদ হস্তান্তরের বিষয়েও বিস্তারিত বিধান রাখা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, র্যাবের সংশ্লিষ্ট জনবল, আদেশ, ক্ষমতা, কর্তৃত্ব এবং বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা তাৎক্ষণিকভাবে এসআরবি’র কাছে স্থানান্তরিত ও ন্যস্ত হবে।
একই সঙ্গে র্যাবের তহবিল, নগদ অর্থ এবং ব্যাংকে থাকা অর্থও এসআরবি’র কাছে হস্তান্তর করা হবে। পাশাপাশি র্যাবের সব দায়, চুক্তি এবং অন্যান্য আর্থিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব নতুন ইউনিটের কাছে স্থানান্তরিত হবে।
গেজেট অনুযায়ী, র্যাবের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি, হিসাবের বই, রেজিস্টার, রেকর্ডপত্র এবং সংশ্লিষ্ট সব ধরনের দলিলও এসআরবি’র কাছে ন্যস্ত হবে।
ফলে র্যাবের বিদ্যমান প্রশাসনিক ও আর্থিক সম্পদ নতুন বিশেষায়িত ইউনিটের কাঠামোর মধ্যে চলে যাবে।
আইনে র্যাবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা রক্ষার বিষয়টিও নিশ্চিত করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে পূর্ববর্তী বিধিমালা অনুযায়ী গৃহীত বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা এবং আদালতের কার্যধারা বহাল রাখার বিধান রাখা হয়েছে।
‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-২০২৬’ আইন কার্যকর হওয়ার ফলে পুলিশের অধীনে নতুন এই বিশেষায়িত ইউনিটের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। র্যাবের জনবল, সম্পদ, ক্ষমতা ও দায়িত্বের একটি বড় অংশ এসআরবি’র কাঠামোর মধ্যে স্থানান্তরের বিধান রাখা হয়েছে।
নতুন আইনের মাধ্যমে র্যাব গঠনসংক্রান্ত নির্দিষ্ট বিধান রহিত হওয়ার পাশাপাশি এসআরবি প্রতিষ্ঠার জন্য পৃথক আইনি কাঠামো তৈরি হলো।
এর ফলে আইন কার্যকর হওয়ার পর থেকে র্যাবের পরিবর্তে এসআরবি পুলিশের আওতাধীন বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একনেক সভা শুরু
প্রতিটি বিভাগে হবে সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী