তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য জামানত ছাড়াই ‘ই-লোন’ সুবিধা চালু করতে যাচ্ছে সরকার। এর পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে প্রতিবছর পাঁচ হাজার তরুণকে ২০ লাখ টাকা করে ঋণসুবিধা দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এসব কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন।
সাংবাদিক সম্মেলনে মাহ্দী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশে গ্যাসের প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আগামীতে তা আরও বাড়বে। বর্তমানে বাংলাদেশ বিনিয়োগের জন্য একটি স্থিতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে এবং দেশের মূল্যস্ফীতির হারও সন্তোষজনক পর্যায়ে নেমে এসেছে।
তিনি জানান, দেশের শিল্পায়নকে আরও গতিশীল করতে একটি রূপরেখা বা মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করা হচ্ছে।
মাত্র সাত মাসে সব সমস্যার সমাধান করা দুরূহ মন্তব্য করে মাহ্দী আমিন বলেন, তবে সরকার চেষ্টা করছে। পাশপাশি তিনি সবাই মিলে একসঙ্গে একটি মানবিক দেশ গড়ার আহবান।
সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, বিগত সরকার যে ভঙ্গুর অবস্থায় দেশকে রেখে গেছে, সেখান থেকে উত্তরণে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।
তিনি উল্লেখ করেন, সরকারকে কেবল পেয়ে বসলে চলবে না, বরং সার্বিক সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে এবং সবাইকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি ‘ক্লিন বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সরকারকে সহায়তা করার আহবান জানান তিনি।
একই সাংবাদিক সম্মেলনে প্রেস সচিব সালেহ শিবলী বলেন, বর্তমান সরকারের ২১২ দিন অতিবাহিত হয়েছে। ইতিমধ্যে অনেক কাজের সুফল জনগণ পেতে শুরু করেছেন এবং বাকিগুলোর ফলাফল পেতে কিছুটা সময় লাগবে।
সবাইকে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, গ্যাস ও বিদ্যুৎ নিয়ে তৈরি হওয়া অস্বস্তি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে এবং দ্রুতই এর ভালো ফলাফল দেখা যাবে।
সালেহ শিবলী আরও জানান, বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং নানা জটিলতার মধ্যেও জনগণের স্বস্তি ও নিরাপত্তা বিধানে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এটি কেবল ক্ষমতা ভোগ নয়, বরং একটি বড়ো দায়িত্ব।
আগামী তিন মাস কঠিন সময় পার করতে হতে পারে উল্লেখ করে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন থাকার আহবান জানান তিনি। এছাড়া কেবল রাজনৈতিক বিতর্কে না জড়িয়ে রাষ্ট্র গড়ার ওপর জোর দেন এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য বা গুজব প্রতিরোধে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার তাগিদ দেন প্রেস সচিব।
