ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা পৌর এলাকায় জলাতঙ্ক প্রতিরোধে পথকুকুর ও বিড়ালকে গণহারে টিকা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে কসবা পৌরসভার উদ্যোগে এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের সহযোগিতায় এ টিকাদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন কসবা পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ছামিউল ইসলাম।
এ সময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সোহেল রানাসহ পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারী, প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা, টিকাদান কার্যক্রমে নিয়োজিত কর্মী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
পৌরসভা ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশে জলাতঙ্ক এখনো একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সমস্যা। আক্রান্ত প্রাণীর কামড়ের মাধ্যমে এ রোগ মানুষের শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে। সময়মতো প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না নিলে রোগটি প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। এ কারণে জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণে পথপ্রাণীদের টিকাদান কার্যক্রমকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হয়।
গণটিকাদান কর্মসূচির আওতায় কসবা পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ঘুরে ঘুরে পথকুকুর ও বিড়ালকে জলাতঙ্ক প্রতিরোধক টিকা দেওয়া হয়। প্রশিক্ষিত কর্মীরা নিরাপদ পদ্ধতিতে প্রাণীগুলোকে টিকা দেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারাও টিকাদান কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন।
কসবা পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ছামিউল ইসলাম বলেন, জলাতঙ্ক একটি অত্যন্ত প্রাণঘাতী রোগ। এটি মানুষ ও প্রাণী উভয়ের জন্যই মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, প্রাণিসম্পদের নিরাপত্তা এবং জলাতঙ্কমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কসবা পৌরসভার উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, পথপ্রাণীদের নিয়মিত টিকাদানের মাধ্যমে জলাতঙ্কের বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। জনস্বার্থে এ ধরনের কার্যক্রমে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
তিনি আরও বলেন, প্রাণী ও মানুষের সহাবস্থান নিশ্চিত করে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত নগর পরিবেশ গড়ে তুলতে কসবা পৌরসভার উদ্যোগে ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি পথপ্রাণীদের প্রতি মানবিক আচরণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতেও বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হবে।
কিশোরগঞ্জে রড তোলার সময় বিদ্যুতস্পৃষ্টে দুই শ্রমিকের মৃত্যু
জনমনে ভীতি সৃষ্টি করতেই কমলাপুরে ককটেল বিস্ফোরণ: ডিএমপি