দেশে খাদ্য পণ্যের উৎপাদন বাড়লেও তা এখনও স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। সেই সঙ্গে খাদ্য পণ্যের প্রকৃত চাহিদা কতো, সে বিষয়ে সঠিক তথ্য না থাকার কারনে বাজার ব্যবস্থানায় সমন্বয়হীনতা আছে।
এসব কারণেই খাদ্য পণ্যের দাম সীমিত আয়ের মানুষদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। বিশ্ব খাদ্য দিবস সামনে রেখে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক।
বিশ্ব খাদ্য দিবস সামনে রেখে, শুক্রবার খামারবাড়িতে এক সংবাদ সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মানুষ চাহিদামতো খাদ্য কিনে খেতে পারছে না।
দুধ, ডাল, পেঁয়াজ, চাল, মাংসের উৎপাদন বাড়লেও চাহিদা ও যোগানে ঘাটতি রয়েছে। তারচেয়েও বড় সঙ্কট খাদ্য পন্যের সঠিক চাহিদা নিয়ে তথ্যের ঘাটতি।
পরিসংখ্যান অধিদপ্তরের সাথে কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য মেলেনা। দেশে বছরে২২ লাখ নতুন মুখ যুক্ত হচ্ছে। সেই তথ্যও হাল নাগাদ হয়নি।
করোনায় ব্রয়লার মুরগীতে ব্যবসায়ীদের লোকসান গুনতে হয়েছে। তাই মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনা করে ব্যবসায়ীরা মুরগীর উৎপাদন কমিয়ে দাম বাড়িয়েছে।
ক্রেতাদের গলাকেটে ব্যবসায়ীদের এমন সিদ্ধান্ত কতোটূ যৌক্তিক এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন টানা তিন বছর লোকসান হওয়ায় ব্যবসায়ীদেরও কিছু করার নেই।
প্রক্রিয়াজাত খাবার উৎপাদন হচ্ছে মাত্র ৩০ শতাংশ। তরুণরা উৎপাদন খাতেআসলেই খাদ্য ঘাটতি মিটবে বলে মনে করেন কৃষিমন্ত্রী।
মানুষের কষ্ট হচ্ছে স্বীকার করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, অল্প কিছু দিনেরমধ্যেই খাদ্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে আসবে।
একাত্তর/এসএ
