আবারও বাজারে বেড়েছে মসুর ডাল, তেল, গরুর মাংসের দাম। মোটা ও সরু দানার মসুর ডালের দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ৫ টাকা। দেশি মসুর ডাল কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। আর মোটা দানার মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১০০ টাকায়।
খোলা সয়াবিন তেল ও পাম সুপার তেলের দাম বেড়েছে লিটার প্রতি ৩ টাকায়। সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে প্রতি লিটার ১৬৫ থেকে ১৬৮ টাকায়। আর পাঁচ লিটারের বোতল মিলছে ৭৮৫ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে।
এছাড়া আলু ছাড়া অন্যান্য সবজির দাম কেজি প্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। আর গরুর মাংসের দাম কেজি প্রতি বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা, কেজি প্রতি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকায়।
ব্রয়লার মুরগির দাম কেজি প্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা এবং ডিমের দাম হালিপ্রতি ২ টাকা কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। রাজধানীর মোহাম্মদপুরে কৃষি মার্কেট কাঁচাবাজার, টাউন হল কাঁচাবাজার ও কারওয়ান বাজারে দেশি মসুর ডাল প্রতি কেজি ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মোটা দানার মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১০০ টাকায়।
সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) বলছে, গত বছর এই সময়ে মোটা দানার মসুর ডালের দাম ছিল প্রতি কেজি ৭০ টাকা। এক মাস আগেও ছিল ৯০ টাকা। এক বছরের হিসাবে, এই ডালের দাম বেড়েছে সাড়ে ৪৪ শতাংশ।
সয়াবিন তেলের দাম এক সপ্তাহ আগেই লিটারে ৫ থেকে ৮ টাকা বাড়িয়ে বিক্রি শুরু করেছিল বিপণনকারী কোম্পানিগুলো। নতুন দর লিটারপ্রতি ১৬৫ থেকে ১৬৮ টাকা। পাঁচ লিটারের এক বোতল সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ৭৮৫ থেকে ৮০০ টাকায়। এবার লিটারে তিন টাকা বেড়েছে খোলা সয়াবিন তেল ১৫৫ টাকা ও পাম সুপার তেল ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
নতুন আলু প্রতি কেজি ১৫ থেকে ১৬ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। মাঝারি আকারের প্রতিটি ফুলকপি ও বাঁধাকপির দাম ৩৫ থেকে ৪০ টাকা চাইছেন বিক্রেতারা। ছোট আকারের একটি মিষ্টিকুমড়া বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়।
এছাড়াও, দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৩০ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজ ৪৫ টাকা, চীনা রসুন ১২০ টাকা এবং আদা ১১০ টাকায় বিক্রি করছেন বিক্রেতারা।
একাত্তর/ এনএ
