চলতি অর্থবছরের জন্য ৪৩ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য ঠিক করেছে সরকার। এটি সদ্য বিগত অর্থ বছরের চেয়ে ৫০০ কোটি ডলার বেশি।
রপ্তানি নিয়ে বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনার পর, মঙ্গলবার (৬ জুলাই) বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, লক্ষ্য অর্জনে পণ্যের বহুমুখীকরণ করতেই হবে।
দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের প্রধান খাত রপ্তানি আয়। ২০১৯-২০ অর্থবছরে করোনার প্রভাবে এই আয় লক্ষমাত্রার চেয়ে ১৭ শতাংশ কমেছিলো ৩৩ বিলিয়ন ডলার। আর সদ্য বিদায়ী ২০২০-২১ অর্থবছরে এটি লক্ষমাত্রার চেয়ে ১৫ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৩৮ বিলিয়ন ডলার।
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি জানান, দেশ ও দেশের বাইরে মহামারী ও আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এবারের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫১ বিলিয়ন ডলার।
এর মধ্যে চলতি ২০২১-২২ অর্থ বছরে পণ্য খাতে সাড়ে ৪৩ বিলিয়ন ডলার এবং সেবা খাতে সাড়ে ৭ বিলিয়ন ডলার মোট রপ্তানি আয় লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে।
রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের নেতা বিজিএমইএ-এর সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, লক্ষমাত্রা অর্জনে বাজেটে ঘোষিত সরকারের সহায়তাগুলোর বাস্তবায়ন করতে হবে।
ব্যবসায়ীরা আরও বলেন, নিরবিচ্ছিন্ন পন্য রপ্তানি এবং আয় বাড়াতে কাস্টমস হাউস এবং বন্দর কর্তৃপক্ষের অযথা হয়রানিও বন্ধ করতে হবে।
এই সময় অন্যান্য খাতের ব্যবসায়ীরা রপ্তানি রাড়াতে বিভিন্ন দেশের সাথে শুল্কমুক্ত বানিজ্য চুক্তির দাবী জানান।
আরও পড়ুন: বিয়ের আগেই এসিডে ঝলসে গেল তৈয়বার মুখ
চলতি অর্থবছরের জন্য নিটওয়্যার পোশাকখাতের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার, ওভেন পোশাক শিল্পে ১৫ দশমিক ৬২ বিলিয়ন, হিমায়িত ও তাজা মাছ ৫০০ মিলিয়ন, কৃষি পণ্য ১১০৪ মিলিয়ন, পাট ও পাটজাত পণ্য ১৪৩০ মিলিয়ন, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য ১০৩১ মিলিয়ন, হোম টেক্সটাইল ১৩৭০ মিলিয়ন এবং পাদুকা রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রার নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০০ মিলিয়ন ডলার।
একাত্তর/আরবিএস
