রপ্তানি কমেছে, বেড়েছে রেমিট্যান্স

আপডেট : ০৩ মে ২০২৪, ১০:০৭ পিএম

এপ্রিলে রপ্তানি কমলেও বেড়েছে রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ। এ মাসে ৩৯১ কোটি ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় শূন্য দশমিক ৯৯ শতাংশ কম।

অন্যদিকে ২০৪ কোটি ৩০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা এর আগের বছরের এপ্রিলের তুলনায় ২১ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য বলছে, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ১০ মাসে মোট রপ্তানি বার্ষিক হিসেবে ৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে চার হাজার ৭৪৭ কোটি ডলারে।

চলতি অর্থবছরে ১০ মাসে তৈরি পোশাকের রপ্তানি ৪ দশমিক ৯৭ শতাংশ বেড়ে চার হাজার দাঁড়িয়েছে ৪৯ কোটি ডলারে। এ সময় নিট পোশাক রপ্তানি থেকে আয় এসেছে দুই হাজার ২৮৭ কোটি ডলার। তবে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা কমলেও এ সময় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৯ দশমিক ১১ শতাংশ।

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত তৈরি পোশাক, কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য, চামড়ার পাদুকা ও প্লাস্টিক পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে। অন্যদিকে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল ও প্রকৌশল পণ্যের রপ্তানি কমেছে। ফলে সামগ্রিক পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির হার কিছুটা কম।

রপ্তানিমুখী শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, ঈদের সময়ে কারখানাগুলোয় কার্যাদেশ কম এসেছে। এছাড়া লম্বা ছুটির কারণেও রপ্তানি চালানের সংখ্যা কমেছে। এ কারণে পণ্যদ্রব্য রপ্তানি নিম্নমুখী হয়েছে, যা স্বাভাবিক।

এখন পণ্য রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা বাংলাদেশকে প্রতিযোগিতাসক্ষম রাখতে সহায়তা করছে। তবে ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বেরিয়ে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হলে সেই সুবিধা আর থাকবে না।

ডব্লিউটিও’র ১৩তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনের যৌথ ঘোষণা অনুযায়ী, এলডিসি থেকে উত্তরণের পরও সংশ্লিষ্ট দেশগুলো তিন বছর শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা পাবে। এ সুবিধা আমদানি ও রপ্তানিকারক দেশের মধ্যে আলোচনার ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এলডিসি হিসেবে আমরা যেসব সুযোগ-সুবিধা পাই, সেসব ভবিষ্যতে থাকবে না। তখন রপ্তানি বাড়াতে হলে নতুন কৌশল বা উদ্যোগ লাগবে। তাছাড়া রপ্তানিতে অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা বাড়াতে পণ্য ও সেবা বহুমুখীকরণ এবং বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন।

একাত্তর/আরএ
চলতি সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ২১ দিনে দেশে ২০৬ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ২০৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। ফলে এ সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ১ দশমিক ৬০ শতাংশ।
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের আড়াই মাসে বাংলাদেশে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৩৫১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৫ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি।
কমেছে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক আমদানি, চাপে বাংলাদেশের রপ্তানি
দেশের অর্থনীতিতে স্বস্তির বার্তা নিয়ে অব্যাহত রয়েছে প্রবাসী আয়ের জোয়ার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের আগস্ট মাসের প্রথম ২২ দিনেই দেশে এসেছে ২১৪ কোটি ৮০ লাখ (২.১৪ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স। গত...
আওয়ামী লীগের বিগত শাসনামলের অন্যায় ও গণহত্যার কঠোর সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, হাজারো ডিসেম্বর পেরিয়ে গেলেও শেখ হাসিনা আর কখনো বাংলাদেশে ফিরে আসার সুযোগ পাবেন...
বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি, দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যকার সুদীর্ঘ কূটনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ককে আরও সুসংহতকরণ এবং অর্থনৈতিক অংশীদারত্বকে সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে...
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমরা যে যেই ধর্মেরই হই না কেন, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমাদের একমাত্র পরিচয় আমরা বাংলাদেশের নাগরিক।’
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষ্যে চট্টগ্রামের জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর