আগামী অর্থবছরের (২০২৪-২৫) জন্য প্রস্তাবিত বাজেটকে গতানুগতিক বলে মনে করছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। সংস্থাটি বলছে, বাজেটে রাজস্ব আদায়ের উচ্চ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারবে না সরকার।
বাজেট প্রস্তাবের পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন। এর আগে জাতীয় সংসদে বাজেট প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী।
ফাহমিদা খাতুন বলেন, আইএমএফের শর্ত মানতে গিয়ে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা বেশি নির্ধারণ করা হলেও তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব না। আর প্রস্তাবিত বাজেটে জিডিপি, মূল্যস্ফীতি ও রিজার্ভের লক্ষ্যমাত্রার সাথেও বাস্তব সূচকের কোনো মিল নেই।
এবারের বাজেটের আকার সাত লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট। এতে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে পাঁচ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা।
ঘাটতি মেটাতে সরকারকে দেশি-বিদেশি উৎস থেকে মোট ২ লাখ ৫১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে হবে। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে এক লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা এবং বৈদেশিক উৎস থেকে সংগ্রহ করা হবে এক লাখ ২৭ হাজার ২০০ কোটি টাকা।
সিপিডির ফাহমিদা বলেন, উদ্ভাবনী ও সাহসী পদক্ষেপ বাজেটে নেই, এটা গতানুগতিক বাজেট। মূল্যস্ফীতি ৯ থেকে এক বছরের মধ্যে সাড়ে ছয় শতাংশে নামিয়ে আনাটাও চ্যালেঞ্জ। মূল্যস্ফীতি কমানো নিয়ে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই।
কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়ার সমালোচনা করে তিনি বলেন, কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দুঃখজনক ও গ্রহণযোগ্য নয়।
কালো টাকা সাদা করার ঢালাও সুযোগ
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য পূরণ সম্ভব?