করোনার এই সময়ে, চলতি অর্থবছরে কি এমন চাহিদা সৃষ্টি হবে, যাতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ বাড়তে পারে- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্দেশ্যে এমন প্রশ্নই ছুঁড়ে দিয়েছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ-সিপিডি।
প্রতিষ্ঠানটি বলছে, করোনার কারণে বিপর্যস্ত অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষিত মুদ্রানীতি সহায়ক হবে না।
করোনায় গেল দেড় বছরে বিপর্যস্ত দেশের অর্থনীতি। আর এই অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে সম্প্রতি চলতি অর্থবছরের জন্য মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে বাজারে মুদ্রা সরবরাহ বাড়ানোর নীতি অব্যাহত রাখা হয়েছে ।
মঙ্গলবার মুদ্রানীতি নিয়ে এক অনলাইন আলোচনায়, করোনার আগে অর্থনীতির সূচকগুলোর অবস্থা তুলে ধরে সিপিডি। উঠে আসে ব্যাংক খাতের সংকটগুলোও।
আরও পড়ুন: দুই কারণে সরকারকে ধন্যবাদ দোকান মালিক সমিতির
সিপিডি বলছে, বেসরকারি বিনিয়োগ, ব্যাপক মুদ্রার যোগান কিংবা মূল্যস্ফীতি নিয়ে এবার মুদ্রানীতিতে বেঁধে দেয়া লক্ষ্য পূরণ হবে না।
আলোচনায়, ব্যাংক খাতে অধিক তারল্য প্রবাসী আয় বাড়াতে নগদ প্রণোদনার অপব্যবহার আর করোনাকালে প্রণোদনা প্যাকেজের সঠিক বন্টন না হবার কথা উঠে আসে।
এ অবস্থায়, করোনা সংক্রমণের এই সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে মুদ্রানীতির গুণগত বাস্তবায়ন নিশ্চিতের পরামর্শ দিয়েছে সিপিডি।
সিপিডি আরো বলছে, অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে অন্তত ৭০ ভাগ মানুষকে ভ্যাকসিন দিতে হবে । এ জন্য সরকারের সাথে কাজ করতে পারে বাংলাদেশ ব্যাংক।
একাত্তর/আরএইচ
