ইভ্যালির জালিয়াতির দায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী।
তিনি বলেন, সরকারের কোনো না কোনো প্রতিষ্ঠানের অনুমতি নিয়ে ইভ্যালির মতো কোম্পানি জালিয়াতি করছে। এর দায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আগে সাধারণ পদ্ধতি অনুসরণ করে জালিয়াতি করা হত। এখন ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে জালিয়াতি করা হচ্ছে। এতে মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী।
এদিকে, বুধবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর কার্যালয়ে ‘সোর্সিং বাংলাদেশ-২০২১ ভার্চুয়াল এডিশন’ শীর্ষক অনুষ্ঠান শেষে এ প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি সাংবাদিকদের জানান, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির গ্রাহকদের অর্থ কীভাবে ফেরত দেওয়া যায় তা বিবেচনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘ইভ্যালির সিইও ও চেয়ারম্যানকে আদালতের মাধ্যমে জেলে পাঠানো হচ্ছে। কিন্তু এটা তো সমাধান না। গ্রাহকরা যেন তাদের টাকা ফেরত পান আবার অভিযুক্তরাও যেন শাস্তি পায় উভয় বিষয়ে পদক্ষেপ নেবে সরকার।’
আরও পড়ুন: স্বাবলম্বী হওয়ার পথে তিন হাজার ১৪৯ পরিবার
উল্লেখ্য, সম্প্রতি ই-ভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেল ও তাঁর স্ত্রী চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা দায়ের হলে বাসায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে র্যাব। এ মামলায় শুক্রবার রাসেল ও শামীমার তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
ইভ্যালির কাছে গ্রাহকরা পাবেন প্রায় ৭০০ কোটি টাকা এবং সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো পাবে আরও ২৫০ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে বাজারে ইভ্যালির দেনা ৯৫০ কোটি টাকা। তিন দিনের রিমান্ডে পুলিশের কাছে দেনার কথা স্বীকার করেন রাসেল ও শামীমা। ইভ্যালির সিইও ও চেয়ারম্যানকে জিজ্ঞাসাবাদের সঙ্গে যুক্ত পুলিশের কর্মকর্তারা এসব তথ্য জানান।
একাত্তর/টিএ
