বেপরোয়া মাংস ব্যবসায়ীরা, বেড়েই চলছে দাম

আপডেট : ০৪ মার্চ ২০২৪, ০৪:১৫ পিএম

পবিত্র শবে বরাতকে সামনে রেখে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন মাংস ব্যবসায়ীরা। সপ্তাহের ব্যবধানে গরুর মাংসে কেজিতে ৫০ টাকা ও ব্রয়লার মুরগিতে কেজি প্রতি ৩০ টাকা দাম বেড়েছে। সেই সঙ্গে তারা হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, রোজার মাস শুরু আগেই মাংসের দাম আরও বাড়বে। রোজা শুরু হচ্ছে আর কিছু দিন বাকি।

ক্রেতাদের অভিযোগ, রোজার আগেই বাজার চড়া হলেও সরকারি সংস্থাগুলোর কোনো ভূমিকা নেই। প্রতি বছরেই এমন দৃশ্য দেখতে দেখতে তারা হতাশ হয়ে পড়েছেন। এভাবে সব ধরনের খাবারের পণ্যের দাম বাড়তে থাকলে মধ্যবিত্তের জীবন চালিয়ে নেয়া কঠিন হয়ে যাবে বলেও মনে করেন তারা। 

নির্বাচনের আগে বেশ ঘটা করে গরুর মাংসের দাম প্রতিকেজি ৬০০ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছিলো জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। কিন্তু নির্বাচনের পরেই অস্থির হতে শুরু করে মাসের বাজার। শবে বরাতকে সামনে রেখে এখন প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকা দরে। 

দাম বেড়েছে খাসির মাংসেরও, প্রতি কেজি বিক্রি ১,১০০ টাকা। কোথাও কোথাও এর চেয়ে আরও অনেক বেশি। আর বাজারের তুলনায় রাজধানীর সুপারশপগুলোতে মাংসের দাম আরও অনেক বেশি। বরাবরের মতো খুচরা বিক্রেতা দুষছেন হাটের ব্যাপারীদের। আর সাধারণ মানুষের আক্ষেপ তদারকি না থাকার।

গরুর মাংসের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম মুর্তজা বলেন, শবে বরাত, রোজা ও কোরবানিকে সামনে রেখে খামারিরা গরু বিক্রি কমিয়েছে। সেজন্য বাজারে সরবরাহ কম, দাম বাড়ছে। এ চক্রের হাত থেকে মুক্তির উপায় খুঁজে বের করতে না পারলে প্রতি বছরই একটি চিত্র দেখা যাবে।

গরুর মাংসের দাম বাড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা। সব মিলিয়ে মানুষ স্বস্তিতে নেই। মোহাম্মদপুর কাঁচা বাজারে একজন ক্রেতা বলেন, কোনো কিছুর দাম কমছে না। একবার বাড়লে সেটা আর কমে না। আমরা সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছি। আর সেটা দেখার কেউ নেই।

কেবল গরু বা খাসির মাংসই নয়, দাম বেড়েছে নিম্নবিত্তের ভরসা ব্রয়লার মুগিরও। দুই দিনের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা। শবিবার বিক্রি হয়েছে ২০০ থেকে ২২০ টাকা দরে। দুদিন আগে যা ছিলো ১৯০ থেকে ২০০ টাকা।

বাজারে চড়া দামে আটকে আছে ব্রয়লার ও ফার্মের মুরগির ডিমের দাম। প্রতি হালি বাদামি ডিম ৪৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে বড় বাজারে। আর পাড়া মহল্লার দোকানে প্রতি হালি ডিমের দাম ৫০ টাকা, ডজন ১৫০ টাকা। এ ছাড়া ব্রয়লার মুরগির কেজি ২২০ থেকে ২৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

শতক পেরিয়ে যাওয়া পেঁয়াজের দাম এখনও কমেনি। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১২৫ টাকায়। একইসঙ্গে চড়া দামে আদা ও রসুন বিক্রি হচ্ছে ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা দরে। শীতকালীন প্রতিটি সবজির কেজিতে ১০-২০ টাকা বেড়েছে। আর গ্রীষ্মকালীন সবজিগুলো ১০০ টাকার নিচে কেনা যাচ্ছে না।

ক্রেতারা বলছেন, ঈদ বা রমজান অথবা শবে বরাত হোক- চাহিদা বাড়ালে দাম বাড়ে। আর দাম বাড়লে তা নিয়ন্ত্রণের কোনো উদ্যোগও থাকে না। তাই সীমিত আয়ের মানুষেরা কেনার পরিমান কমিয়ে দিয়েছেন। নিত্য পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারি বিভিন্ন সংস্থার অভিযানকে দায়সারা ও লোক দেখনো বলছেন ক্রেতারা।

কেএসএইচ
বাজারে গরুর জাত ও ধরন অনুযায়ী মাংসের দাম আলাদাভাবে নির্ধারণের দাবিতে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আজ রোববার (৮ মার্চ ২০২৬) জনস্বার্থে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান এই নোটিশ পাঠান।...
গরুর দাম বেড়ে যাওয়ায় খলিল, নয়ন ও উজ্জ্বলের পক্ষে কম দামে আর মাংস বিক্রি করা আর সম্ভব না বলে জানিয়েছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) এএইচএম সফিকুজ্জামান।
খলিল আহমেদ কম দামে গরুর মাংস বিক্রি করতে পারলে অন্য কসাইদেরও তা পারা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জামান।
আগুন ছড়িয়েছে মাংসের বাজারে, গরু-মুরগী; খাসি-গরু সব মাংসের দামই যেনো নাগালের বাইরে। ব্রয়লার মুরগী কেজিতে বেড়েছে প্রায় ৩০ থেকে ৫০ টাকা।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে শরিক নেতাদের উদ্দেশ্য বলেছেন, আমরা অতীতে একসাথে ছিলাম, আছি এবং একসাথেই থাকবো।
স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে বিএনপি সরকার। যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের এমনটিই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে স্পেনের মহাকাব্যিক জয় শুধু একটি ঐতিহাসিক ট্রফি অর্জন আর রূপকথার গল্প নয়, এটি ছিল ফুটবলের এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজংশে ব্যাটন হস্তান্তরের স্মারক। ফুটবল...
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ইনজুরি টাইমে ফেরান তোরেসের অবিশ্বাস্য গোল স্প্যানিশ ফুটবলে নতুন ইতিহাস লিখেছে। ২০১০ সালে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার সেই ঐতিহাসিক জয়ের পর দেশকে...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর