ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বেরকা পড়ে মুখে স্প্রে মেরে টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার হাতিয়ে নেওয়া এক কিশোরকে আটক করেছেন আনসার সদস্যরা। পরে তাকে ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পে সোপর্দ করা হয়েছে।
রোববার রাত ৯টার দিকে ঢামেক হাসপাতালের আনসার সদস্যরা তাকে আটক করেন।
ওই কিশোরের নাম সাব্বির (১৬)। বাড়ি নারায়ণগঞ্জের নিমতলা এলাকায়।
ঢামেক হাসপাতালের আনসারের প্লাটুন কমান্ডার মো. উজ্জ্বল সরকার বলেন, রোববার মেডিসিন বিভাগে মহিলা ওর্য়াডে বেরকা পড়ে নারী সেজে এক রোগীর স্বজনের মুখে স্প্রে করে পাঁচ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় ওই কিশোর। সন্দেহ হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এসময় কিশোরটি দোষ স্বীকার করে। পরে হাসপাতালের পরিচালকের কাছে নিয়ে গেলে আটকের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এদিকে সোমবার এক রোগীর স্বজন দাবি করেছেন, শনিবার কিশোরটি তার কাছ থেকে সাড়ে ৯ হাজার টাকা ও স্বর্ণ ছিনিয়ে নিয়েছে।
তিনি বলেন, আমার কাছে বোরকা পড়ে এক নারী এসে হাতে ছুঁয়েছেন। এরপর আর কিছুই বলতে পারবো না। আমিই টাকা, কানের জিনিস সবই দিয়ে দিয়েছি। তার হাতে একটি টেটো লেখা ছিল। ওই চিহ্ন দেখে তাকে শনাক্ত করেছি।
আটক কিশোর জানায়, কয়েক মাস আগে নারায়ণগঞ্জ থেকে এসব শিখেছি। ওই এলাকায় এক ধরনের স্প্রে পাওয়া যায়। কোনোভাবে মুখের সামনে স্প্রে মারতে পারলেই হয়ে যায়। কিছু সময়ের জন্য তার ব্রেনে কোনো কাজ করবে না। তখন যা বলা হয়, তিনি তা-ই করেন। কিছু সময় পর সব বুঝতে পারেন। ছিনিয়ে নেওয়া টাকা, স্বর্ণ বাড়িতে আছে।
ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, কিশোরটি দুই দিন হাসপাতালে এসে ছিনতাই করেছে। তাদের মধ্যে এক নারীর টাকা উদ্ধার করে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি শাহবাগ থানায় জানানো হয়েছে।
সাত স্টেশনের মধ্যে মাত্র তিনটির কাজ শেষের পথে 