ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে আনুমানিক ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীর মরদেহ ফেলে রেখে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে দুই ব্যক্তি একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে ওই কিশোরীকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। সে সময় এক ট্রলিম্যান কিশোরীকে ট্রলিতে করে জরুরি বিভাগের ভেতরে নিয়ে যান। কিশোরীটি বেঁচে নেই বিষয়টি বুঝতে পেরে ওই দুই ব্যক্তি কৌশল খাটান। তাদের একজন টিকেট কাটার কথা বলে এবং অন্যজন অটোরিকশা ভাড়া দেওয়ার অজুহাতে সেখান থেকে সটকে পড়েন।
পরে হাসপাতালের কর্মীরা কিশোরীকে জরুরি বিভাগের চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, কিশোরীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে।
নিহতের শরীরে জখমের চিহ্ন পাওয়ার কথা জানিয়ে পুলিশ কর্মকর্তা ফারুক বলেন, ভিকটিমের শরীরে আঘাত ও গলায় ফাঁসের চিহ্ন রয়েছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
তিনি আরও জানান, নিহতের নাম-পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। একই সঙ্গে হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অটোরিকশাসহ পালিয়ে যাওয়া ওই দুই পুরুষকে শনাক্ত ও আটকে তদন্ত শুরু হয়েছে।
