কল্যাণপুরের বিভিন্ন সড়কে মাসের পর মাস ধরে চলছে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির কাজ। কোনো কোনো এলাকায় ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও কাজ শেষ হচ্ছে না। এলাকাবাসীর অভিযোগ, কাজের ধীরগতির কারণে তাদের ভোগান্তি শেষ হচ্ছে না। আর এলাকার জনপ্রতিনিধি বলছেন জুনের মধ্যে কাজ শেষ না হলে, ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
কল্যানপুরের ১৩ নম্বর সড়ক। ওয়াসার সুয়ারেজ লাইন সংস্কার ও রাস্তা প্রশস্ত করার কাজ চলছে একযোগে। কিন্তু কাজটি চলছে প্রায় ছয়-সাত মাস ধরে। এতে মানুষের ভোগান্তি চরমে উঠেছে।
শুধু এই সড়কই নয়। বর্ষার ঠিক আগে কল্যানপুরের বিভিন্ন গলিপথেই চলছে উন্নয়ন কাজ। মাসের পর মাস বেহাল সড়কের কারণে স্কুলগামী শিশু কিশোর অসুস্থ রোগী ও বৃদ্ধদের ভোগান্তি চরমে। এলাকাবাসি বলছেন উন্নয়ন কাজ হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এসব কাজে জনভোগান্তি কমানো বা দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা কখনই দেখা যায় না।

রাস্তায় হাঁটতে গিয়ে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে মানুষ। তাদের একটাই দাবি কাজটি দ্রুত শেষ হোক।
তবে এলাকার কাউন্সিলর বলছেন,জুন শেষ হবার আগেই সড়কের কাজ শেষ হবে। ঠিকাদারকেও সেটি বলা হয়েছে। নয়তো ঠিকাদারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দেওয়ান আব্দুল মান্নান বলেন, ওই ঠিকাদার আর্থিক দৈন্যতার কারণে কাজটা করতে পারেনি বা পারছে না। তবে তাকে জুন মাসের মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে এটা কিন্তু আমাদের শিডিউলে উল্লেখ করা আছে।
এলাকাবাসীর চাওয়া একেতো বর্ষা মৌসুম তার ওপর সামনে কোরবানি। এর আগেই কাজ শেষ হবে; এটাই তাদের দাবি।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় ১০ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না