মিরপুরের পশ্চিম কাজীপাড়া থেকে মনিপুরের ৬০ ফিট। দুই দিকে যাতায়াতের জন্য দুই কিলোমিটারের এই পথটি লাখো মানুষের একমাত্র রাস্তা। অথচ সেটাই এখন ভোগান্তির আরেক নাম।
সরকারের তিনটি সেবা সংস্থা মিলে দফায় দফায় এই সড়ক খুঁড়ে চলেছে। কিন্তু প্রায় এক বছর হতে চললেও ঠিক করার নাম নেই। এলাকাবাসীর দাবি গেলো এক বছরে তাদের জীবন দুর্বিষহ করেছে এই সড়ক।

মধ্য মনিপুরের বয়োবৃদ্ধ এই বাসিন্দা হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরছেন। পায়ে হেঁটে তার বাসায় যাবার মতো শারীরিক ক্ষমতা নেই। কিন্তু রিকশায় যাবেন সেই উপায়টাও নেই। তাই খুড়িয়ে খুড়িয়ে নিরুপায় এই বৃদ্ধের বাড়ি ফেরা।
এক মাস দু মাস নয়। অবিশ্বাস্য শোনালেও খোদ রাজধানীর বুকে সড়কটির এমন দশা গেলো প্রায় এক বছর ধরে। খোঁড়াখুঁড়ি করে সড়কটি ফেলে রাখা হয়েছে। কিন্তু ঠিক করার যেন কেউ নেই। রিকশা উল্টে বা খানাখন্দে পড়ে প্রায়ই আহত হচ্ছে মানুষ।

এলাকাবাসি বলছেন, সরকারের বিভিন্ন সংস্থা দফায় দফায় এই রাস্তা খুঁড়েছে। কিন্তু রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী করার যে মূল কাজ, সেটাই কেউ করছে না। কেনো এতোদিন সড়কটি এভাবে ফেলে রাখা হয়েছে, কবে এই ভোগান্তির অবসান হবে, সেটিও কেউ বলছে না। মাটি খুড়ে সড়কের ওপরেই রাখা হয়েছে, সরিয়ে নেয়ারও কোনো নাম নেই।
অথচ, একদিকে ৬০ ফিট অন্যদিকে কাজীপাড়ার রোকেয়া সরণি, লাখো বাসিন্দার জন্য এটাই একমাত্র রাস্তা।
নারায়ণগঞ্জের ডিএনডি বাঁধে জলাবদ্ধতা, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী