রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এসি বিস্ফোরণে একই পরিবারের চারজন দগ্ধের ঘটনায় শিশু আয়ানের পর তার খালারও মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেল চারটার দিকে ফুতু আক্তার (১৮) শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এর আগে বুধবার দিনগত রাত চারটার দিকে মারা যায় দগ্ধ তিন বছরের শিশু আয়ান।
বর্তমানে চিকিৎসাধীন শিশু আয়ানের মা রুক্সি আক্তার ও নানা আবদুল মান্নানের অবস্থাও সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছেন স্বজনেরা।
নিহত ফুতু আক্তার কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার আব্দুল মান্নানের (৬০) মেয়ে। চিকিৎসক জানিয়েছেন, তার দেহের ৫৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিলো।
চিকিৎসকের বরাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. বাচ্চু মিয়া জানান, বিষয়টি ভাটারা থানায় জানানো হয়েছে।
গত সোমবার ১০ জুন রক্সি ছেলে, বাবা আবদুল মান্নান (৫০) ও বোন ফুতু আক্তারকে (১৮) নিয়ে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় সাবলেট হিসেবে ওঠেন। সেদিন সন্ধ্যায়ই এ দুর্ঘটনা ঘটে।
রক্সির দেবর আহামেদ মোস্তফা গণমাধ্যমকে জানান, সোমবার সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ চলে যায়। কক্ষে এসি চালানো ছিলো। বিদ্যুৎ চলে এলে হঠাৎ এসিতে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণ ঘটে। পরে আশপাশের লোকজন তাদের উদ্ধার করেন। তাদের প্রথমে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রাতে তাদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
একের পর এক গরুভর্তি ট্রেন ঢুকছে ঢাকায়