কোটা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষর্থীদের এক মাস অপেক্ষা করার আহবান জানিয়েছেন সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। একই সঙ্গে যে কোন পরিস্থিতিতে আইন হাতে তুলে না নিতে ছাত্রলীগের প্রতি আহবানও জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার হাইকোর্টের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ব্যারিস্টার সুমন বলেন, বিষয়টি এখন আদালতে কাছে। আদালত চার সপ্তাহ সময় নিয়েছেন। তাই, শিক্ষার্থীরা যেনো একটা মাস অপেক্ষা করেন। এরপর যদি মনে হয় যৌক্তিক সমাধান হয়নি, তাহলে আবারও আন্দোলন করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, আপনাদের পুরো ভবিষ্যৎটা সামনে, আমি চাই না অযথা মুখোমুখি হয়ে আপনাদের ভবিষ্যৎ নষ্ট হোক এবং এই রাষ্ট্রে বা দেশে একটা বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তৈরি হোক। বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হলে সরকারকে কঠিন হাতে আগাতে হবে। সরকারের সামনে আর পথ থাকবে না।
ব্যারিস্টার সুমন বলেন, আমি একজন সংসদ সদস্য হিসেবে আমি আপনাদেরকে দাবি জানাচ্ছি, আপনারা এক মাসের জন্য এপিলেট ডিভিশনের রেজাল্ট হওয়া পর্যন্ত এটাকে (আন্দোলন) স্থগিত করেন । এর ভেতরে আপনারা যদি চান আমরা আপনাদেরকে সঙ্গে করে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসব।
নিজেকে ছাত্রলীগের সাবেক নেতা হিসাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছাত্রলীগ এবং যারা মুখোমুখি হয়েছে, এটা কিন্তু ছাত্রলীগকে কিভাবে অজনপ্রিয় করা যায় তার একটি চক্রান্ত চলছে। কারণ, আপনি যখন দুটি দলকে মুখোমুখি করবেন, ছাত্রলীগ যদি কাউকে বারি দেয় বা বারি খায় তখন এটি আরো খারাপ পরিস্থিতির দিকে যাবে, ছাত্রলীগকে আরো অজনপ্রিয় করার একটা প্রক্রিয়া চলছে।
ব্যারিস্টার সুমন বলেন, আমি ছাত্রলীগকে দাবি জানাব, আপনারা প্রকৃতপক্ষে যদি কাউকে প্রতিহত করেন, তাহলে যারা আন্দোলনের বাইরে থেকে এসে সরকারের ক্ষতি করতে চায়, রাষ্ট্রের ক্ষতি করতে চায় তাদেরকে প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করবেন। নিজেরা আইন তুলে নেবেন না।
ছাত্রলীগ কি মারধর করে ভুল করেছে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ছাত্রলীগ যদি মারধরের ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকে তবে তা ছাত্রলীগের কোনো দলীয় সিদ্ধান্ত না। এটা হচ্ছে অতি আবেগ, কিছু কিছু লোক হাইব্রিড থাকে তারা নিজেদেরকে প্রমাণ করার জন্য ছাত্রলীগের ট্যাগ লাগিয়ে অন্যকে মারছে।
শিক্ষার্থীদের হামলার শিকার ঢাবি শিক্ষক