রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় একটি আবাসিক হোটেলে সারারাত আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছেন এক নারী, কাফরুল থানায় মামলাও করেছেন তিনি।
তবে, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জন্ম নিয়েছে নানা প্রশ্ন, যার সঠিক উত্তর না দিয়ে রহস্যজনক আচরণ করছে পুলিশ। সাংবাদিকদের সব প্রশ্নই এড়িয়ে যান মিরপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহমুদুল হোসাইন।
ওই নারীর অভিযোগ, ১০-১২ জনের একটি দল তাকে কৌশলে আবাসিক হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ করে।
এ ঘটনায় রাজধানীর কাফরুল থানায় মামলা দায়ের করেন ধর্ষণের অভিযোগ আনা নারীটি। সঙ্গে ছিলেন তার বান্ধবীও।
এ ঘটনায় মধ্যরাতেই শেওড়াপাড়ার আবাসিক হোটেলটিতে অভিযান চালায় পুলিশ। তালা ভেঙে আটক করা হয় হোটেলটির এক কর্মীকে। ভবন মালিকের কক্ষ থেকে জব্দ করা হয় বিদেশি মদ ও ফেন্সিডিলের বোতল।

ভবনের পঞ্চম তলার আবাসিক হোটেলটিতে কঠোর নিরাপত্তা বেস্টনি। ভেতর থেকে বন্ধ দরজা। বারবার চেষ্টা করেও যা ভাঙতে ব্যর্থ হতে হয় ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা।
ভবনটির চারতলায় রয়েছে একটি জিম। যেখানে পাওয়া যায় জিমের মালিক মোহাম্মদ শাহজাহানকে। তিনিও জানালেন, হোটেলটিতে অবাধে চলে অবৈধ ও অসামাজিক কার্যকলাপ।
শাহজাহানের কথায় মেলে আরেক চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযানের আগের রাতেও হোটেলে এসেছিলো পুলিশ। তার দাবি, হোটেলের অনৈতিক কর্মকান্ডের বিষয়ে অবগত পুলিশও।
এসব বিষয়ে প্রশ্ন করলেও মুখ খুলতে নারাজ ঢাকা মহানগর পুলিশের মিরপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহমুদুল হোসাইন। এদিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ নিয়েও কিছু বলতে চান না পুলিশের এই কর্মকর্তা।
স্বাস্থ্যখাত সংস্কারে তিন মেয়াদে প্রস্তাব বিএনপির