নাটকীয় পট পরিবর্তনের পর বাংলাদেশের সামনে এখন একটি অগ্রসর দেশ হিসেবে গড়ে ওঠার সুবর্ণ সুযোগ। আগস্ট পরবর্তী বাংলাদেশকে ঘিরে এমন আশার কথা শুনিয়েছেন সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত এবং ‘রাইট টু ফ্রিডম’-এর সভাপতি উইলিয়াম বি মাইলাম।
আরেক সাবেক কূটনীতিক জন ড্যানিলোভিজ বলেছেন, বাংলাদেশে উগ্রবাদ ও সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে অনেক অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে। সোমবার বিকেলে রাজধানীতে ‘ট্রাম্প আমলে মার্কিন বাংলাদেশ সম্পর্ক’ নিয়ে তেঁজগাওয়ে এক বৈঠকে তারা এ কথা বলেন।
ট্রাম্প প্রশাসন দায়িত্ব নেয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অভিবাসন নীতি, ইউএসএইড-এর অনুদান বন্ধ হওয়াসহ নানা পদক্ষেপ কতোটা প্রভাব ফেলবে বাংলাদেশে? বাংলাদেশের গণতন্ত্রের পথে যুক্তরাষ্ট্র কি সঙ্গী হবে? এসব প্রশ্নই উঠে আসে এই আলোচনা সভায়।

সাবেক মার্কিন কূটনীতিক ও রাইট টু ফ্রিডমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জন ড্যানিলোভিজ অবশ্য বলছেন এসব নীতির বেশিরভাগই মার্কিন সীমান্তকে নিরাপদ রাখাসহ মাদক নিয়ন্ত্রণ ও অভ্যন্তরীন কারণে। বিষয়গুলো বাংলাদেশের জন্য নয়। তবে বাংলাদেশ মার্কিন সম্পর্ক কেমন হবে সেটি এখনও বলার সময় আসেনি।
জন ড্যানিলোভিজ আরও বলেন, বাংলাদেশে উগ্রবাদ ও সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে সমালোচনাগুলোকেও সত্য দিয়েই মোকাবেলা করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত এবং রাইট টু ফ্রিডমের সভাপতি উইলিয়াম বি মাইলাম জানান, বাংলাদেশের সামনে এখন ৱএকটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টির নতুন সুযোগ।
এ সময় আলোচকরা অর্ন্তবর্তীকালীন সরকারের স্টারলিংক ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তিসহ নানা পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। মার্কিন প্রশাসনের সাথে বাণিজ্যি সম্পর্ক বাড়ানো ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় সাহায্য নেয়ার আহবানও জানান তারা।
জামায়াত কার্যালয়ে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইলাম