রাজধানীর শাহজালাল বিমান বন্দরের রানওয়ের কাছাকাছি স্থানে বহুতল ভবন, দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়। বৃহস্পতিবার এক গোলটেবিল আলোচনায় এমন মত দেন একজন নগরবিদ। এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রশিক্ষণ ও যাত্রীবাহী বিমান চলাচলে একই রানওয়ে ব্যবহারের বিকল্প ভাবার সময় এসেছে।
আট দশক আগে রাজধানীতে দুটি বিমান বন্দর নির্মাণ করা হয়। তখন শহরের শেষ সীমানা ছিলো শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। সময়ের সাথে এই শহর বিস্তৃত হয়েছে বিমান বন্দর পর্যন্ত। এভিয়েশন এমারজেন্সি নিয়ে এক গোলটেবিল মতামত আসে, বিমানবন্দরের অবস্থান নিয়ে নতুন করে ভাবার সময় হয়েছে।
এখানে যে কোনো দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকাজ, নিরাপত্তা ও তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার কথা বলেন দ্যা বাংলাদেশ মনিটরের সম্পাদক কাজী ওয়াহিদুল আলম।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ, রাজউক, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও গণপূর্ত মিলে জরুরি নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করতে সমঝোতা স্মারক সই করার আহবান জানান বক্তারা।
সামর্থ্যের কারণে অনেক কিছুই বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি বলে জানান নগর পরিকল্পনাবিদ ইকবাল হাবীব। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বহুতল ভবন নির্মাণ দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শাহজালাল বিমান বন্দরের একমাত্র রানওয়ে দিয়েই উড়াল দেয় প্রশিক্ষণ ও যাত্রীবাহী বিমান। বাণিজ্যিক ফ্লাইটের সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পাওয়ায়, এতে বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন যাত্রীরা।
বিমানের আগের নিয়মাবলি নতুন করে পর্যালোচনার সময় এসেছে বলে মন্তব্য করেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চিফ অব টেকনিক্যাল ক্যাপ্টেন তানভীর খুরশিদ।
বৈঠকে রাজধানীর মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় প্রশিক্ষণ বিমানের চলাচল নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বক্তারা।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ছয় মরদেহ বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন
যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক কার্যকরের আগে চট্টগ্রাম বন্দরে রপ্তানিতে জোয়ার