নবায়নযোগ্য জ্বালানি: বাজেটে বড়ো কোম্পানির পকেট ভারী: বিএসআরইএ

আপডেট : ১৪ জুন ২০২৬, ০১:৪০ পিএম

জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত প্রস্তাবিত বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের কর ও শুল্ক সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়নি বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউঅ্যাবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআরইএ)। 

সংগঠনটি বলছে, এনবিআরের বর্তমান নীতিমালার জটিলতার কারণে এই সুবিধাগুলো শুধু নির্দিষ্ট কিছু বড়ো বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী ও রেসকো মডেলের কোম্পানির পকেটে যাচ্ছে। ফলে দেশের মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীর প্রায় ৬৩ শতাংশ সাধারণ ব্যবসায়ী ও সাধারণ গ্রাহক এই বড়ো সুবিধা থেকে পুরোপুরি বঞ্চিত হচ্ছেন। 

বর্তমান এই ধারা বজায় থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সরকারি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে না বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংগঠনের নেতারা।

রোববার (১৪ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) মিলনায়তনে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিএসআরইএ-র পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়। নেতারা সতর্ক করে বলেন, গুটিকয়েক বড়ো কোম্পানির পকেট ভারী করার এই নীতি বহাল থাকলে দেশের সবুজ বিদ্যুতের লক্ষ্যমাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।

সাংবাদিক সম্মেলনে বিএসআরইএ-র নেতারা বলেন, বর্তমানে দেশের মোট জ্বালানির মাত্র পাঁচ শতাংশের কম বিদ্যুৎ আসে নবায়নযোগ্য খাত থেকে। এমন পরিস্থিতিতে দেশের বিদ্যমান জ্বালানি সঙ্কট নিরসনে ২০৩০ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ সবুজ বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে চায় সরকার। এ জন্য সরকারের নীতিগত বাধা দূর করতে দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছিলেন খাতসংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীরা। তবে প্রস্তাবিত বাজেটে তার পুরোপুরি প্রতিফলন হয়নি।

বিনিয়োগকারীদের মতে, প্রস্তাবিত বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে যে কর ও শুল্ক সুবিধা দেওয়া হয়েছে, তা ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে নির্দিষ্ট কিছু বড়ো বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী কোম্পানির পকেটেই যাবে। ফলে দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ী এবং সাধারণ গ্রাহক পর্যায়সহ প্রায় ৬৩ শতাংশ ব্যবহারকারী এর কোনো সুফল পাবেন না। বর্তমান নিয়ম বহাল থাকলে আগামী চার বছরের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য অর্জন কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

সাংবাদিক সম্মেলনে উদ্ভূত পরিস্থিতি উত্তরণে সংগঠনের পক্ষ থেকে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট দাবি ও প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। বিএসআরইএ-র মতে, দেশের বিভাগীয় শহরগুলোর মাত্র ২৫ শতাংশ ছাদ ব্যবহার করেই আট হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব।

এই বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সোলার প্যানেল, ইনভার্টার ও ব্যাটারিসহ সৌরবিদ্যুতের সব সরঞ্জামে সমান শুল্ক সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি জানান নেতারা। একই সঙ্গে সর্বস্তরের আমদানিকারক ও গ্রাহকদের জন্য শূন্য শতাংশ শুল্ক সুবিধা এবং ১০ বছরের জন্য ‘ট্যাক্স হলিডে’ (কর অবকাশ সুবিধা) দেওয়ার জোর দাবি জানানো হয়।

সংগঠনটির নেতারা মনে করেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা টেকসই করতে এবং সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করতে সৌর সেচ (সোলার ইরিগেশন) ও রুফটপ সোলারকে অবিলম্বে ‘জাতীয় অগ্রাধিকার খাত’ হিসেবে ঘোষণা করা উচিত।

একাত্তর/এসি
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ জনগণ, বুদ্ধিজীবী এবং গণমাধ্যমের উদ্দেশ্যে একটি দীর্ঘ ও বিস্ফোরক খোলা চিঠি প্রকাশ করেছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত এই চিঠিতে আইআরজিসি...
উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে (ডিপিপি) পরামর্শক ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো এবং যৌক্তিক কারণ ছাড়া প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্বের জন্য সংশ্লিষ্টদের কঠোর জবাবদিহিতার আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী...
একসময় বর্ষা এলেই নেত্রকোনার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে দেখা যেতো পাটের সবুজ সমারোহ। খেত থেকে পাট কাটা, পানিতে জাগ দেওয়া, আঁশ ছাড়ানো আর রোদে শুকিয়ে হাটে বিক্রি করাকে কেন্দ্র করে জমে উঠতো গ্রামীণ অর্থনীতি।...
রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বঙ্গভবনে প্রথমবারের মতো সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর