মিয়ানমারে ফেরত যাওয়ার পক্ষের রোহিঙ্গাদের নেতা তৈরি হওয়ায় ভয় ছিল প্রত্যাবাসন বিরোধী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর। তাই মুহিবুল্লাকে হত্যা করে প্রত্যাবাসন থামিয়ে দিতে চেয়েছিল উগ্রবাদী রোহিঙ্গা গোষ্ঠী।
কিলিং মিশনে অংশগ্রহণকারী আটক রোহিঙ্গা আজিজুল হক, আনাছ, মুরশিদ ও নুর মোহাম্মদকে জিজ্ঞাসাবাদের পর উঠে এসেছে এসব তথ্য।
শনিবার (২৩ অক্টোবর) সংবাদ সম্মেলনে জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসা তথ্য নিয়ে জানান এপিবিএনের অধিনায়ক নাঈমুল হক।
তিনি বলেন, মুহিবুল্লাহ হত্যা পরিকল্পনায় রোহিঙ্গা আজিজুল হকের নেতৃত্বে শেষ বৈঠকটি ছিল ঘটনার দুইদিন আগে ক্যাম্পের মরকজ পাহাড়ে।
বৈঠকের দুইদিন পর রাতে প্রত্যাবাসনের বিষয়ে কথা বলার বাহানায় মুহিবুল্লাকে তার অফিসে ডেকে নিয়ে আসে রোহিঙ্গা মুরশিদ।
এরপর মুরশিদ মুহিবুল্লাহ অফিসে থাকার বিষয় নিশ্চিত করে কিলিং মিশনের বাকী সদস্যদের খবর দেয়।
আরও পড়ুন: পীরগঞ্জকাণ্ডে নাটের গুরু সৈকত আর রবিউল উসকানিদাতা
১৯ জন সদস্যের স্কোয়াডের পাঁচ অস্ত্রধারীরা এসে পরপর চারটি গুলি চালায় মুহিবুল্লাহর বুকে। তখন পাহারায় ছিল আনাছ ও নুর মোহাম্মদ। হত্যাকাণ্ড শেষ করতে সন্ত্রাসীরা সময় নিয়েছিল দুই মিনিট।
নাঈমুল হক বললেন, মুহিবুল্লাহ রোহিঙ্গাদের বড় নেতা হয়ে উঠায় ভয় ছিল প্রত্যাবাসন বিরোধী সন্ত্রাসীদের।
তবে নাঈমুল হক নির্দেশদাতাদের নাম বলতে না পারলেও, বলেছেন সব সন্ত্রাসীদের একে একে ধরা হবে।
নতুন করে স্কোয়াডের চার রোহিঙ্গাসহ মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২৩ দিনে এখন পর্যন্ত ৮৬ জন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীকে আটক করেছে এপিবিএন।
একাত্তর/এসজে
