কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের পেরিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী এম এ হামিদের নির্বাচনী পথসভায় সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত শাকিল হোসেন (২২) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। বৃহস্পতিবার (৯ ডিসেম্বর) রাত ৯টায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার পেরিয়া ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা সাবেক চেয়ারম্যান এম এ হামিদের পথসভা চলাকালে বুধবার রাতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হুমায়ুন কবির মজুমদারের ২০-৩০ জন সমর্থক সন্ত্রাসী হামলা চালায়।
হামলায় বিদ্রোহী প্রার্থী এম এ হামিদের বেশ কয়েকজন সমর্থক আহত হন। আহতদের মধ্যে আশারকোটা গ্রামের শাকিল হোসেন, কাজী জোড়পুকুরীয়া গ্রামের প্রবাসী মোহাম্মদ ফরিদ ও ফরহাদ হোসেনকে নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
আরও পড়ুন: রাজবাড়ীতে জুট মিলে আগুন
হামলায় গুরুতর আহত শাকিল হোসেনের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাকে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। পরদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত শাকিল হোসেন আশারকোটা গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে। ঢাকায় ফুলকলি নামে একটি বেকারীতে তিনি কর্মরত ছিলেন। আব্দুল্লাহ নামে তার এক বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। চার ভাই বোনের মধ্যে শাকিল সবার ছোট।
চেয়ারম্যানপ্রার্থী এম এ হামিদ বলেন, পেরিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী হুমায়ুন কবির মজুমদার তার লোকজনসহ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে পরামর্শ করে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে বাবুল গাজী মেম্বারের নেতৃত্বে ২০-৩০ জনের সন্ত্রাসী বাহিনী ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা করে। এতে আমার ১৫জন সমর্থক আহত হন। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর। এদের মধ্যে শাকিল হোসেন ঢাকা মেডিকেলে মারা গেছে। এ ঘটনায় হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবি করেন তিনি।
এ ব্যাপারে নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক হোসেন বলেন, আমি লোকমুখে ঘটনাটি জেনেছি, তবে এ বিষয়ে এখনও কোনো অভিযোগ পাইনি।
একাত্তর/টিএ
