টাকার অভাবে চোখের চিকিৎসা করাতে পারছেন না নেত্রকোনার মেধাবী কলেজ ছাত্র দীপ্ত চক্রবর্তী। তাই চোখের আলো ফেরাতে তার জন্য সাহায্য ও সহযোগিতা চেয়েছেন সহপাঠী ও স্বজনরা।
অদ্ভুত এক দৃষ্টি নেত্রকোণার মল্লিকপুরের পুরোহিত কনক চক্রবর্তীর ছেলে দীপ্ত চক্রবর্তীর। চোখ আছে, কিন্তু তার দৃষ্টি না থাকায় তিনি আজ অন্ধ-প্রায়। ঘরের আলোতেই এখন চলছে তার লেখাপড়া।
দীপ্তের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালে দীপ্ত দু’চোখেই দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হয়। একসময় বাম চোখটি অকেজো হয়ে যায়। চিকিৎসা করাতে না পেরে ডান চোখটি এখন নষ্টপ্রায়। তার চিকিৎসার জন্য দরকার ৫ থেকে ৮ লাখ টাকা।
এলাকাবাসী ও সহপাঠীরা জানান, ছোটবেলা থেকে দীপ্ত ভাল ছাত্র। কিন্তু সম্প্রতি বাবা-মা হারানো এবং দৃষ্টিহীন হয়ে পড়ায় তার ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চয়তার মুখে।
নেত্রকোণা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা জানান, প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিসহ জিপিএ -৫ পেয়েছে দীপ্ত। তাই তাকে বাঁচাতে সবার এগিয়ে আসা উচিত।
আরও পড়ুন: ট্রাকচাপায় আমেরিকা ফেরত মেয়ে ও বাবার মৃত্যু, চালক আটক
ময়মনসিংহের চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ডা. পলাশ মজুমদার জানান, দীপ্ত রেটিনা ডিটাচমেন্টে আক্রান্ত। দেশে বা বিদেশে তার চোখের সার্জারি করা গেলে ভাল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
দীপ্ত পড়াশোনা করছেন নেত্রকোণা সরকারি কলেজে ডিগ্রি ফাইনাল ইয়ারে। বর্তমানে তিনি থাকছেন বোনের সংসারে।
একাত্তর/আরএ
