চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে অষ্টম দিনে গড়িয়েছে, রেলওয়ে গেটকিপারদের আমরণ অনশন। এরই মধ্যে অসুস্থ হয়েছেন ১১০ জন। তাদের মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৫০ জন। রেলওয়ে গেটকিপাররা বলছেন, চাকরি স্থায়ী না হওয়া পর্যন্ত, তারা অনশন চলিয়ে যাবেন।
১৪ মাসের শিশু সন্তানকে নিয়ে আট দিন পার করে দিয়েছেন, জামালপুর থেকে আসা রেলওয়ের গেইট কিপার কাকলী খাতুন। একই পদে চাকরি করেন তার স্বামী, আলামত শাহও। কাকলী খাতুন বললেন, চাকরি স্থায়ী করা না হলে শিশু সন্তানকে নিয়ে পথে বসবেন তারা।
সারাদেশে কাকলীর মতো ৩২৫ জন নারী গেটকিপার রয়েছে। যাদের সবাই চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে পথে নেমেছেন। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের মানোন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের ১৮৮৯ জন গেটকিপারের চাকরি রাজস্ব খাতে স্থায়ীকরণ ও বেতন বৃদ্ধির দাবিতে অনশন চলছে।
তারা জানান, জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা এই কর্মসূচি চালিয়ে যাবে। এখন পর্যন্ত রেলওয়ে প্রশাসনিক ও মন্ত্রণালয় থেকে তাদের কেউ খোঁজ নেয়নি। তাদের কোনো আশ্বাসও দেওয়া হয়নি। তারা প্রত্যাশা করছে প্রধানমন্ত্রী তাদের এই ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করবেন।
আরও পড়ুন: খিলগাঁয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে তরুণীর দুই পা বিচ্ছিন্ন
রেলওয়ের মান উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অস্থায়ী ভিত্তিতে ১,৮৮৯ জন গেইট কিপার নিয়োগ দেয়া হয়। এর মধ্যে ৫৭২ জন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং ৫৫৫ জন রেল পোষ্য। যাদের বেতন সর্বসাকুল্যে ১৪ হাজার ৪৫০ টাকা।
আট দিনের আমরণ অনশনে অসুস্থ হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসা নিয়েছেন ১১০ জন গেইট কিপার। এই মুহূর্তে হাসপাতালে ভর্তিও আছেন ৫০ জন।
একাত্তর/আরএ
