বরগুনা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের বইপত্র-ক্রীড়া সামগ্রীসহ নানা সরঞ্জাম কেনার নামে টাকা লোপাট করার অভিযোগ উঠেছে স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
এমনকি করোনাকালে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান বন্ধ থাকার পরও প্রতি মাসে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টিফিনের টাকা নেয়া হলেও, তাদেরকে দেয়া হয়নি কোন খাবার।
এসব অভিযোগের বিষয় জানতে চাইলে যথারীতি অস্বীকার করেছেন স্কুলটির প্রধান শিক্ষক। সব দায় চাপিয়েছেন স্কুলটির ক্রয় কমিটির উপর।
বরগুনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে লাইব্রেরীর জন্য নতুন বই কেনা হয়েছিলো ২০১৮ সালে। এরপর তিন বছরে বরাদ্দ এসেছে ৯৫ হাজার টাকা। কিন্তু আসেনি নতুন কোনো বই।
এমনকি গত তিন বছরে স্কুলে কম্পিউটার কেনা ও মেরামতের জন্য এসেছে প্রায় আড়াই লাখ টাকা। ল্যাবের সরঞ্জাম বাবদ এক লাখ ২০ হাজার, ক্রীড়া সামগ্রীর জন্য ৫০ হাজার টাকাসহ ১০ লাখ টাকা এসেছে। কিন্তু শিক্ষকরা বলছেন, নতুন কোনো কিছুই কেনা হয়নি স্কুলের জন্য।
আবার ২০২০ সালে করোনায় স্কুল বন্ধ থাকলেও ৮০০ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে প্রতি মাসে টিফিন বাবদ খরচ নেয়া হয় ৭৫ টাকা।
সেই টাকা ফেরত দেয়ার কথা থাকলেও, চলতি জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত টিফিনের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেয়া হয়েছে এক লাখ ৮০ হাজার টাকা।
তবে সবগুলো অভিযোগই অস্বীকার করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজাহারুল হক। তার দাবি, ক্রয় কমিটিকে নিয়ে স্কুলের জন্য সব সরঞ্জাম কেনা হয়েছে।
এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন, বরিশালে বিভাগের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আঞ্চলিক উপ-পরিচালক আনোয়ার হোসেন।
