উদ্বোধনের তিন মাসের মধ্যেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামের লাইব্রেরি ‘গোনা গ্রন্থাগার’।
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও এলাকার মানুষের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষে ‘গোনা গ্রন্থাগার’ প্রতিষ্ঠা করেন উদ্যোক্তা ও গোনা গ্রামের যুবক সবুজ খান।
পাঠকরা জানান, উপজেলার কোনো গ্রামে এরকম বই পড়ার ব্যবস্থা না থাকায় লাইব্রেরিটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
জানা যায়, রাণীনগর উপজেলার প্রত্যন্ত একটি গ্রাম গোনা। আর সেখানেই গড়ে উঠেছে ছোট্ট একটি গোনা গ্রন্থাগার। গন্থাগারের তালিকায় রয়েছে, বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসসহ বিভিন্ন শিক্ষণীয় প্রায় ৬শ’ বই।
প্রতিদিন বইগুলো পড়ছেন শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে নানা বয়সীর ৪০ থেকে ৪৫ জন মানুষ।
গ্রন্থাগারে বই পড়তে আসা শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান আপন জানান, এই গ্রন্থাগার স্থাপনের শুরু থেকেই আমিসহ আমার বেশ কয়েকজন বন্ধু মিলে প্রতিদিন বই পড়ি। এতে করে আমরা নানান শিক্ষণীয় বই পড়ে জ্ঞানের পরিধি জাগ্রত করতে পাড়ছি।

পাঠক আবু বাশার বাদল, সুজন সরদার, নুপুর আক্তারসহ অনেকেই জানান, প্রত্যন্ত গ্রামে এমন লাইব্রেরি স্থাপন হওয়ায় তারা বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন বই, বিভিন্ন কবির লেখা বইসহ নানান শিক্ষণীয় বই পড়তে পড়তে পারছেন।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশিদের ভূমিকায় প্রশংসা কংগ্রেসওম্যানের
গোনা গ্রন্থাগারের প্রতিষ্ঠাতা ও উদ্যোক্তা সবুজ খান বলেন, গ্রাম বাংলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানুষের মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেয়াই এই গ্রস্থাগারের উদ্দেশ্য। গ্রন্থাগারের তালিকায় রয়েছে, বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসসহ বিভিন্ন শিক্ষণীয় প্রায় ৬শ’ বই। শিগগিরই এর পরিসর বাড়ানো চেষ্টা চলছে।
রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার মাহাতো বলেন, গ্রন্থাগার স্থাপন করা একটি ভালো উদ্যোগ। আমি শুনেছি সেখানে বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসসহ বিভিন্ন শিক্ষণীয় বই রয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই গ্রন্থাগারে সার্বিক সহযোগিতা করা আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
একাত্তর/আরএ
