রাজধানীর মতো বন্দরনগরী চট্টগ্রামের খুচরা বাজারেও নতুন দামে ভোজ্যতেল পাওয়া যাচ্ছে না। প্রতি লিটার সয়াবিন তেল বিক্রি হয়েছে ২০০ টাকায়। খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের দাবি, ডিও ব্যবসায়ীদের কাছে তারা জিম্মি।
এদিকে, বাজারে ভোজ্যতেল সরবরাহের যখন আকাল, তখন চট্টগ্রাম বন্দরে চারটি জাহাজ থেকে ৪৭ হাজার ৪৪ মেট্রিক টন তেল খালাস হয়েছে।
দোকান থেকে মালিকের জন্য ২০০ টাকায় এক কেজি খোলা সয়াবিন তেল সংগ্রহ করতে পারলেও, গৃহকর্মী কাঞ্চন বেগম নিজের জন্য ২০ টাকায় নিয়েছেন অল্প একটু তেল।
শুক্রবার চট্টগ্রাম নগরীর চৌমুহনী বাজারে দেখা হওয়া গৃহকর্মী কাঞ্চন জানালেন নিজের আয় দিয়ে বেশি টাকায় সয়াবিন কেনার সংগতি তাঁর নেই।
নগরীর এই বাজারের একটি মাত্র দোকান খোলা পেয়ে তাতে কাঞ্চনের মত ভিড় জমিয়েছেন অন্য ক্রেতারাও। নতুন দামের চেয়ে বেশি দামে তেল বিক্রি হওয়ায় ক্ষোভ জানান তারা।
আরও পড়ুন: ভোজ্যতেলে অশনি সংকেত, ইলিশের দামে তেজ বেশি
অবশ্য খুচরা ব্যবসায়ীদের বরাবরের মতো দাবি করেছেন, খাতুনগঞ্জের ডিও ব্যবসায়ীরা সয়াবিন তেল দাম বাড়ানোর পেছনে দায়ী।
খোলা বাজারের যখন এই অবস্থা, তখন চট্টগ্রাম বন্দরে আসা চারটি জাহাজ থেকে খালাস হচ্ছে ৪৭ হাজার ৪৪ মেট্রিক টন ভোজ্যতেল।
আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে নতুন করে মূল্য সমন্বয়ের পর বাজার স্থিতিশীল রাখতে বাজার তদারকি বাড়ানোর উপর জোর দিয়েছেন ভোক্তা সংগঠনগুলো।
