ঘূর্ণিঝড় অশনির প্রভাবে আজও উপকূল অঞ্চলের কোথাও কোথাও বৃষ্টি হচ্ছে। খুলনা বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগে মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে, আবহাওয়া অধিদপ্তর।
ঘূর্ণিঝড় অশনির প্রভাবে রাঙ্গাবালীতে মঙ্গলবার ভোর থেকে কখনো মুষলধারে, আবার কখনো মাঝারি বৃষ্টি হচ্ছে।এতে বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে মুগডাল ও মরিচ ক্ষেতসহ বেশকিছু ফসলি জমি।
এদিকে বঙ্গোপসাগরও উত্তাল। তাই জোয়ারের পানি বৃদ্ধির আতঙ্ক আছেন, কলাগাছিয়া, চরকাশেম ও চরনজির উপজেলার কয়েক হাজার মানুষ।
এছাড়া গোলবুনিয়া ও চরলতা এলাকার ভেঙে যাওয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধ এখনও মেরামত করা হয়নি। সেজন্য জোয়ারের পানি বাড়ার শঙ্কা করছেন এসব এলাকার মানুষ।
এদিকে, উপজেলার ৫৭টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৯৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছিল।
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরগুলোকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
এছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
নদীবন্দরগুলোর জন্য দুপুর ১টা পর্যন্ত দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম অঞ্চলগুলোর উপর দিয়ে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
আর আবহাওয়ার ২৪ ঘন্টায় পূর্বাভাসে বলা হয়, খুলনা, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের বেশিরভাগ জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।
আরও পড়ুন: প্রবল ‘অশনি’ দুর্বল হচ্ছে, ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা
সেই সঙ্গে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। তবে সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
একাত্তর/এসি
