নড়াইলসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার সাথে সড়ক পথে ঢাকার যোগাযোগ স্থাপনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদ্মাসেতু স্বপ্ন নয় এখন দৃশ্যমান।
ফলে বাস্তবায়ন হতে চলেছে নড়াইল জেলার মানুষের স্বপ্ন। এই সেতু চালু হলে জেলার অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। বদলে যাবে এ অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক অবস্থা।
স্বাধীনতার পর থেকে নড়াইল জেলা ছিল অবহেলিত। ঢাকা থেকে নড়াইলের ১২০ কি. মিটার দূরত্ব হলেও এখন ২৮০ কি. মিটার পথ ঘুরে ঢাকায় যেতে হয়। পদ্মাসেতু যানবাহন চলাচলের জন্য চালু হলে যশোরের বেনাপোল স্থল বন্দর-নড়াইলের কালনা সেতু-পদ্মাসেতু-ঢাকা-সিলেট-তামাবিল সড়কের মাধ্যমে ‘আঞ্চলিক যোগাযোগ’ স্থাপিত হবে।
বেনাপোল স্থল বন্দর থেকে আমদানি-রপ্তানিকৃত পণ্য সরাসরি কালনা এবং পদ্মাসেতু হয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্নস্থানে পণ্য পরিবহনে সুবিধা পাবেন ব্যবসায়ীরা।
তাছাড়া ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফেরী ঘাটের দু’পারে আর বসে থেকে জনগণের ভোগান্তি পোহাতে হবে না। সময় বাঁচবে। কৃষি পরিবহন ও বিপণন সহজ হবে।
এক কথায় বৃদ্ধি পাবে নড়াইলসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, পাল্টে যাবে মানুষের জীবনযাত্রার মান।
আরও পড়ুন: ভারী বর্ষণে জামালপুরের অধিকাংশ এলাকা ডুবে গেছে
তবে পদ্মাসেতু চালু হলে তার সাথে নড়াইল গোপালগজ্ঞ জেলার মিলন কালনা সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য উপযুক্ত করা সময়ের দাবি।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলছেন, আগামী সেপ্টেম্বর মাসে এ কালনা সেতু চালু হবে।
একাত্তর/আরএ
