টানা পাঁচদিন ধরে অপরর্বিততি রয়েছে মৌলভীবাজার জেলার ক্ষতিগ্রস্ত চারটি উপজলোর বন্যা পরিস্থিতি। নামছে নাপানি, মানুষজন ফিরতে পারছে না নিজ নিজ ভিটায়। এদিকে বন্যা কবলতি এলাকায় দেখা দিচ্ছে খাদ্য সংকট। আশ্রয়কেন্দ্রে ত্রাণের জন্য প্রতদিনি ভীড় বাড়ছে। তবে চাহিদার তুলনায় সবার ভাগ্যে জুটছে না ত্রাণ।
মৌলভীবাজার জেলার বন্যা কবলতি রাজনগর, কুলাউড়া, জুড়ি ও বড়লেখা উপজলোর নম্নিাঞ্চলরে ২৫টি ইউনয়িনরে দুই শতাধকি গ্রামরে লক্ষাধকি মানুষ এখনো পানিবন্দি অবস্থায় রয়ছেন। এসব গ্রাম
এদিকে বন্যা র্দূগত উপজলোগুলোর ৫০টির বেশি স্কুলকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছ। সেখানে আশ্রয় নিয়েছে ১৫ হাজার মানুষ। কিছু আশ্রয়কেন্দ্রে থেকে বন্যার্ত মানুষ নিজেদের বাড়ি ফিরলেও স্কুলগুলো পানিতে নিমজ্জিত থাকায় সেখানে বন্ধ রয়েছে পাঠদান।
রাজনগর ও কুলাউড়া উপজলোর শত শত কৃষকের ফসল বন্যায় তলিয়ে যাওয়ায় তাদরে কপালে দেখা দিয়েছে দুশ্চিন্তার ভাঁজ। বছররে বেশিরভাগ সময় ধান বিক্রি করেই চলতো সংসার৷ বন্যার পানিতে গোলায় রাখা শত শত মন শুকনো ধান নষ্ট হয়ে গেছে। যেটুকু ধান অবশিষ্ট ছিল আশ্রয়কেন্দ্র এবং বিভিন্ন স্কুলঘরে স্তুপ করে অনিশ্চিত সময় পাড় করছনে কৃষকরা। ফলে সেই ধান কম দামে বিক্রি করে দিচ্ছেন মহাজনের কাছে।
এদিকে পানিবন্দি এসব এলাকার মানুষ কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে পালন করা গবাদি পশু নিয়ে পড়েছেন আরেক বিপাকে। ডুবে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করতে আশ্রয় কেন্দ্রের বারান্দায় গরু বেঁধে চোরের ভয়ে রাত পার করছেন পশু মালিকেরা। এদিকে বন্যার পানি না কমায় এসব এলাকায় দেখা দিয়েছে পশু খাদ্যেরও অভাব।
একাত্তর/এসএ
