পদ্মা সেতু উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে স্বস্তি ফিরেছে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ও রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে। পাল্টে গেছে ঘাটের চিত্র। ভোগান্তির এই ঘাটে হাসি ফুটেছে যাত্রী ও চালকের মুখে।
কোন প্রকার ভোগান্তি ছাড়া ফেরির নাগাল পেয়ে খুশি দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নৌরুট দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ার যাত্রী ও চালকেরা। এত দিন এই ঘাটে দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হলেও রোববার সকাল থেকে ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যেই ফেরির নাগাল পাচ্ছে যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী ট্রাক।
রোববার (২৬ জুন) সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোর থেকেই পাটুরিয়া ঘাটে যানবাহনের কোন লাইন নেই। যাত্রীবাহী বাস খুবই কম আসছে। যেগুলো আসছে স্বস্তিতেই ফেরি পার হয়ে যাচ্ছে।
চালকেরা বলছেন, এখন স্বপ্নের পদ্মা সেতু দিয়েই বেশির ভাগ যানবাহন পার হবে। এতে যাত্রী দুর্ভোগ যেমন কমবে তেমনি নষ্ট হবে না কাঁচামাল। বর্ষা কিংবা কুয়াশায়ও হবে না দুর্ভোগ।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক প্রফুল্ল চৌহান জানান, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে বর্তমানে ১৭ টি ফেরি চলাচল করছে। তাছাড়া পন্যবাহি ট্রাক ও ব্যক্তিগত ছোট যানবাহন ও বাস পদ্মা সেতু দিয়ে পার হতে যাওয়ার কারণে দৌলতদিয়া পাটুরিয়ায় চিরচেনা ভোগান্তি কমেছে।
বিআইডব্লিউটিসি আরিচা অঞ্চলের ডিজিএম শাহ মো. খালেদ নেওয়াজ বলেন, স্বপ্নের সেতু চালু হওয়ায় আমাদের পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে যানবাহন পারাপার কিছুটা কমলেও কোন ধরণের দুর্ভোগ ছাড়া যানবাহনগুলো পার করতে পারছি। এখন এখান থেকে রাজস্ব কিছুটা কম আদায় হবে। তবে দুই এক মাস পরে গাড়ির সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
একাত্তর/জো
